October 28, 2026, 11:27 am
শিরোনাম :
স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য

সৌদি-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিচ্ছে তুরস্ক

ঢাকা অফিস

সৌদি আরব-পাকিস্তানের নিরাপত্তা জোটে তৃতীয় দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে তুরস্ক। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর স্ট্র্যাটেজিক মিউচ্যুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট (এসডিএমএ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে। চুক্তির বক্তব্য ও শর্তাবলী বিস্তারিতভাবে কোনো দেশই প্রকাশ করেনি, তবে দুই দেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী কোনো দেশের ওপর যদি বহিঃশক্তির আক্রমণ ঘটে, তাহলে অপর দেশ সর্বাত্মকভাবে আক্রান্ত দেশের পাশে থাকবে।

এই চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র। বিশ্বে পাকিস্তানই একমাত্র মুসলিম দেশ, যারা পরমাণু অস্ত্র আছে। চুক্তির আওতায় এই পরমাণু অস্ত্রও রয়েছে।

তাছাড়া যদিও এটি এশিয়ার সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি; তারপরও ৬ লাখ সেনাসমৃদ্ধ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে অন্যতম।

চুক্তিত স্বাক্ষরের দুই দিন পর ১৯ সেপ্টেম্বর এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, “আমাদের এই চুক্তিটি ন্যাটোর আদলে তৈরি করা হয়েছে; অর্থাৎ এটি প্রতিরক্ষামূলক, আক্রমণাত্মক নয়। কোনো দেশে হামলা বা আগ্রাসন চালানোর কোনো সুযোগ এখানে রাখা হয়নি। তবে যদি সৌদি আরব কিংবা পাকিস্তানের ওপর হামলা হয়, তাহলে আমরা সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করব।”

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর একমাত্র এশীয় দেশ তুরস্ক। তবে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের মতানৈক্যের জেরে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক শীতল। তাছাড়া মধ্যএশিয় ও মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে প্রভাবশালী তুরস্ক এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলেও নিজেদের প্রভাব বিস্তারে আগ্রহী। এক্ষেত্রে পাকিস্তান ও সৌদির সহায়তা আঙ্কারার জন্য বেশ সহায়ক হবে বলে মনে করেন তুরস্কের রাজনীতি ও কূটনীতি বিশ্লেষকদের একাংশ।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসডিএমএ জোটে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গত অক্টোবর থেকে সৌদি ও পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ-আলেচনা চলছিল তুরস্কের কর্মকর্তাদের। সেই আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। এই পর্ব শেষ হলেই এসডিএমএ জোটে যোগ দেবে তুরস্ক।