July 29, 2026, 8:46 pm
শিরোনাম :
এমপি গোলাম রসুলের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে অভয়নগরে মিছিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১-০২ সেশনের বন্ধুদের ভার্চুয়াল স্মরণসভা অভয়নগরের ভবদহে আবারও জলাবদ্ধতা ॥ চরম বিপাকে স্থানীয়রা ভবদহে জলাবদ্ধতা নিরসেন আল্টিমেটাম : চার দফা দাবিতে স্মারকলিপি ধোপাদী ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কার্ডের রাজনীতি নয়, জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করুন’ — হাসনাত আবদুল্লাহ অভয়নগরে পানিবন্দি মানুষের খোজ খবর নেন যশোর-৪ আসনের এমপি অধ্যাপক গোলাম রসুল নওয়াপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ওসমান ফকির নিহত অভয়নগরে ট্রেনে কাটা পড়ে মাদরাসা শিক্ষকের মৃত্যু অভয়নগরে নদীতে গোসল করতে নেমে গৃহবধু নিখোঁজ

হাদি হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রেতা হেলাল রিমান্ডে

ঢাকা অফিস

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র বিক্রেতা ‘হামিদুল হক আর্মস অ্যান্ড কোং’র মালিক মাজেদুল হক ওরফে হেলালকে তিনদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রুকনুজ্জামান রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে, গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামের চকবাজার থানার হারেছ শাহ মাজার লেন থেকে হেলালকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

গতকাল বুধবার হেলালকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা। পরে তিনি সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, হাদি হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) নরসিংদী এলাকা থেকে জব্দ করা হয়। এই ঘটনায় নরসিংদী থানার অস্ত্র আইনে মামলা হয়। এই আগ্নেয়াস্ত্র এবং এ মামলার ঘটনাস্থল থেকে জব্দ হওয়া কার্তুজ, বুলেট ও আগ্নেয়াস্ত্র ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ হয় যে পিস্তলটি থেকেই ফায়ার করা হয়েছে। এছাড়া মাইক্রো অ্যানালাইসিস পরীক্ষায় পিস্তলের সিরিয়াল নম্বরটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

তদন্তকালে জানা যায়, জব্দ করা পিস্তলটি ঢাকার এম আইচ আর্মস কোং আমদানি করে। পরবর্তীতে চকবাজারের ইসলাম উদ্দিন আহমেদ অ্যান্ড সন্সের নিকট ২০১৭ সালের ৩ ডিসেম্বর বিক্রি করে। এরপর ইসলাম উদ্দিন আহমেদ অ্যান্ড সন্স ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামের হামিদুল হক আর্মস অ্যান্ড কোংয়ের কাছে বিক্রি করে। তদন্ত করে জানা যায়, এই দোকানের মালিক আসামি মাজেদুল হক হেলাল। এই লাইসেন্সটি পূর্বে তার বাবা হামিদুল হকের নামে ছিল। পরবর্তীতে ২০০০ সালে লাইসেন্সটি তার নামে করে নেয়।