October 28, 2026, 11:38 am
শিরোনাম :
আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান

চাকরির প্রস্তুতিতে স্কুলেই কারিগরি শিক্ষা চালু করছে ইংল্যান্ড

Reporter Name

শিক্ষা ডেস্ক: শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য আরও উপযোগী করে তুলতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে ইংল্যান্ড সরকার। এর অংশ হিসেবে দেশের চৌদ্দ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্মাণকাজ, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা এবং শিশু বিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক বিষয় চালুর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত সাধারণ একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি এই বৃত্তিমূলক বিষয়গুলোতে শিক্ষাগ্রহণ করার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা। সরকারের লক্ষ্য হলো সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি প্রায়োগিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চাকরি ও কর্মজীবনের জন্য শুরু থেকেই প্রস্তুত করে তোলা।

ইংল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই পরিবর্তন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে দুই হাজার উনত্রিশ সাল থেকে। এই নতুন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক সনদগুলোর মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করবে দেশটির শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফকোয়াল। এর ফলে প্রথাগত জিসিএসই সনদের ফলাফলের সঙ্গে নতুন এসব কারিগরি যোগ্যতার মানের একটি সঠিক সামঞ্জস্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। নতুন এই শিক্ষাক্রম এমনভাবে সাজানো হচ্ছে যাতে শিক্ষার্থীরা ষোল বছর বয়স পার হওয়ার পর একই ধারার উচ্চতর কারিগরি কোর্সে সহজে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে।

নতুন এই শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার মূলত শিক্ষা জীবন থেকে কর্মজীবনে প্রবেশের একটি নিরবচ্ছিন্ন পথ তৈরি করতে চাইছে। এর অংশ হিসেবে ষোল বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় দুই লাখ নতুন কর্মঅভিজ্ঞতার সুযোগ সৃষ্টির একটি জাতীয় লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয় ক্যারিয়ার হাবগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন নিয়োগকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে যাতে তারা শিক্ষার্থীদের জন্য বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে দেন। এর ফলে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার পাশাপাশি বাস্তব কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পারবে।

তবে এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জ ও উদ্বেগের কথাও তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। স্কুল পর্যায়ে এই ব্যবহারিক বিষয়গুলো সঠিকভাবে পড়াতে হলে প্রচুর অর্থায়ন এবং পর্যাপ্ত দক্ষ শিক্ষকের প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন তারা। এছাড়া পরীক্ষাপদ্ধতি মানসম্মত রাখা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো পরিবর্তনের জন্যও অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয়টি চলে আসছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রয়োজনীয় শিক্ষকসংকট দূর করা এবং পর্যাপ্ত বাজেট নিশ্চিত করা না গেলে এই যুগান্তকারী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়তে পারে।