October 28, 2026, 11:43 am
শিরোনাম :
আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান

জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ আট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির দুদকের এই আবেদন মঞ্জুর করেন। এর ফলে আগামী ২০২৫-২৬ করবর্ষ পর্যন্ত ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সব আয়কর নথি ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র জব্দ করা হবে বলে দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনুদান গ্রহণ, বেআইনিভাবে কর সুবিধা ভোগ এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সিআরআইয়ের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তথা দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর প্রতিষ্ঠানটির আয়কর নথিপত্র জব্দের আবেদন করেছিলেন। আদালত সব দিক বিবেচনা করে এই আদেশ দেন।

এই মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সিআরআইয়ের ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এবং প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক শাব্বির বিন শামস। এ ছাড়াও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং কর আপিলের সাবেক সদস্য রওশন আরা আক্তারকেও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে ২৩টি কোম্পানির কাছ থেকে সিআরআইয়ের ব্যাংক হিসাবে প্রায় সাড়ে ৪৫ কোটি টাকা জমা হয়েছিল। ২০১৩-১৪ থেকে ২০২৩-২৪ করবর্ষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির মোট আয় দেখানো হয়েছে ১০০ কোটি টাকার বেশি, যার মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক হিসাবগুলোতে চারশো কোটি টাকারও বেশি লেনদেন হয়েছে এবং সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার বিষয়টিরও তদন্ত চলছে।