November 5, 2026, 4:20 pm
শিরোনাম :
আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ নামল ৩০ বিলিয়নের নিচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সব এজেন্সির সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চায় সরকার সাজেকে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির জলবায়ু সম্মেলনে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ বাথরুম পরিষ্কার, তবু দুর্গন্ধ? কারণ হতে পারে এই ৭টি জিনিস শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না করা খাবারে মিশছে সিসা বাংলা এআই নিয়ে কী করতে চাইছে সরকার? অপসাংবাদিকতা’র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন বরাবর নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের স্মারকলিপি পদত্যাগের বিষয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন সামান্তা শারমিন

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সব এজেন্সির সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে চায় সরকার

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু রিক্রুটিং এজেন্সির সিন্ডিকেট বা একচেটিয়া প্রভাব পুরোপুরি ভেঙে দিতে চায় বর্তমান সরকার। দেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি যেন সমানভাবে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে। অভিবাসন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ফেরানো এবং সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি করাই সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় এই তথ্য জানানো হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় এফডব্লিউসিএমএস-এ তালিকাভুক্ত রিক্রুটিং এজেন্টদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে একটি নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে।

সভায় জানানো হয়, চলতি বছরের শেষ নাগাদ সম্পূর্ণ বিনা খরচে বিদেশে কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থার আওতায় প্রথম ধাপে কয়েকটি ফ্লাইট পরিচালনা করার প্রস্তুতি চলছে। বিদেশে কর্মী পাঠানোর যাবতীয় আর্থিক খরচ সংশ্লিষ্ট বিদেশি নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেই বহন করতে হবে এবং সাধারণ কর্মীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় করা হবে না।

জনশক্তি রপ্তানি খাতকে আরও সুশৃঙ্খল করতে বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়। মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের বাধ্যতামূলক মেডিকেল পরীক্ষার ফি আট হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে এবং এর বেশি অর্থ আদায় করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত কর্মীদের যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য বিভিন্ন দেশে বিশেষ সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।