November 3, 2026, 6:22 pm
শিরোনাম :
জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকার আন্তরিক এক গ্রামে এতগুলো বিলাসবহুল বাড়ি বিনোদন পার্কে হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান আইডি’ চালুর উদ্যোগ নেবে আইসিটি বিভাগ সিলেট নগরীতে ভেজাল পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা বিছানাকান্দি থেকে লক্ষণছড়ার পথে হেঁটে চলা শ্রীপুরে অপহরণের ১০ ঘণ্টা পর উদ্ধার ওষুধ কোম্পানির কর্মকর্তা, গ্রেপ্তার ৩ প্রতিবছর ইসরাইলকে দেওয়া ৪০০ কোটি ডলার সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প ভুয়া চাকরির ইন্টারভিউয়ের ফাঁদ পেতে বাইন্যান্স থেকে চুরি হয় ৬.৩ বিলিয়ন ডলার শেখ মুজিবের হাতেই স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক চর্চা ধ্বংসের সূচনা: জাহেদ উর রহমান

বিনোদন পার্কে হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্য

Reporter Name

লাইফস্টাইল ডেস্ক: আধুনিকতার ভিড়ে বাংলার অনেক ঐতিহ্য আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। এমন এক সময়ে গ্রামীণ জীবনের বহু পুরোনো ও হারিয়ে যাওয়া অনুষঙ্গ নিয়ে ব্যতিক্রমী এক সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছেন আদিল ফকির। একটি বিনোদন পার্কের ভেতরে তৈরি এই সংগ্রহশালায় স্থান পেয়েছে গ্রামবাংলার শত বছরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির নানা নিদর্শন। সাধারণ মানুষের চোখের আড়ালে চলে যাওয়া এসব ঐতিহাসিক উপাদান দেখতে সেখানে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন কৌতূহলী দর্শনার্থীরা।

এই ব্যতিক্রমী সংগ্রহশালায় প্রবেশ করলেই দর্শনার্থীরা ফিরে যান অতীতে। সেখানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি, যা একসময় প্রতিটি বাড়ির গৃহিণীদের ধান ভানার নিত্যসঙ্গী ছিল। এ ছাড়া গ্রামীণ জীবনের অন্ধকারের আলো ছড়ানোর মাধ্যম কুপি ও হারিকেনও স্থান পেয়েছে এই প্রদর্শনীতে। গ্রামবাংলার সহজ-সরল মানুষের দৈনন্দিন জীবনের নানা ব্যবহার্য জিনিসপত্র সুনিপুণভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এখানে।

প্রদর্শনীতে যুক্ত হয়েছে কলের গান বা গ্রামোফোন, যা থেকে একসময় ভেসে আসত সুরের মূর্ছনা। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় যন্ত্রসংগীতের জয়জয়কার থাকলেও, কলের গানের এই ঐতিহাসিক উপস্থিতি পুরোনো দিনের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে প্রবীণদের মনে। তরুণ প্রজন্ম বইয়ের পাতার বাইরে এসে এসব যন্ত্র সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছে, যা তাদের দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল করে তুলছে।

আদিল ফকিরের এই উদ্যোগের ফলে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে গ্রামীণ ঐতিহ্যের এক সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে। যান্ত্রিক শহরের ক্লান্তি দূর করতে মানুষ যখন বিনোদন পার্কে ঘুরতে আসেন, তখন এই সংগ্রহশালা তাদের মনে এক প্রশান্তি এনে দেয়। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণে আরও বড় ভূমিকা পালন করবে।