November 3, 2026, 4:35 pm
শিরোনাম :
শ্রীপুরে অপহরণের ১০ ঘণ্টা পর উদ্ধার ওষুধ কোম্পানির কর্মকর্তা, গ্রেপ্তার ৩ প্রতিবছর ইসরাইলকে দেওয়া ৪০০ কোটি ডলার সহায়তা বন্ধের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প ভুয়া চাকরির ইন্টারভিউয়ের ফাঁদ পেতে বাইন্যান্স থেকে চুরি হয় ৬.৩ বিলিয়ন ডলার শেখ মুজিবের হাতেই স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক চর্চা ধ্বংসের সূচনা: জাহেদ উর রহমান কোটি টাকা ঘুষ চাওয়া প্রসিকিউটর দেশ ছেড়েছেন, চিফ প্রসিকিউটর বললেন নিষেধাজ্ঞা ছিল না বড়দিন উদ্‌যাপনে দুই কোটি টাকা চেয়েছিল খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্ট, প্রধানমন্ত্রী দিলেন তিন কোটি ‘আন্ধার’-এর মুক্তির আগেই নতুন সিনেমায় চঞ্চল, তুষি ও সিয়াম মঞ্চে জসীমউদ্দীনের ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’ মোটরসাইকেলের ট্যাংকে ছিদ্র হচ্ছে, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা অভয়নগর থানার ওসি ক্লোজড

কোটি টাকা ঘুষ চাওয়া প্রসিকিউটর দেশ ছেড়েছেন, চিফ প্রসিকিউটর বললেন নিষেধাজ্ঞা ছিল না

Reporter Name

আইন-আদালত ডেস্ক: সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে জামিন করিয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁর পরিবারের কাছে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তৎকালীন প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার এই অর্থের জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিলেন বলে জানা গেছে। দায়িত্বশীল এই পদে থেকে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বিচার অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্ত প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদার অভিযুক্ত হওয়ার পরপরই গোপনে দেশ ত্যাগ করেছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকারি পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ ওঠার পর তাঁর এই পলায়নের ঘটনায় বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁর এই আকস্মিক দেশত্যাগের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সুনির্দিষ্ট ব্যাখা দিয়েছেন। তিনি জানান যে অভিযুক্ত ব্যক্তির দেশত্যাগের ওপর পূর্বে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা কড়াকড়ি ছিল না। আইনি প্রক্রিয়া এবং দাপ্তরিক সীমাবদ্ধতার কারণে সময়মতো তাঁর দেশত্যাগের পথ রোধ করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুতর এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সচেতন মহল। অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ দাবির অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন আইনি বিশেষজ্ঞরা।