October 28, 2026, 10:16 am
শিরোনাম :
‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪

ইট ভেঙে সংসার চালানো শতবর্ষী ছব্দুল গাজীর পাশে ইউএনও

স্টাফ রিপোর্টার
0-4024x1784-0-0-{}-0-12#bokehtype:0#;illum:2 scene:25 humanIn:2;

ছব্দুল গাজীর বয়স এখন ১০৬ বছর। স্ত্রী মারা গেছেন বহু বছর আগে। গত ১২ বছর ধরে ইট ভেঙে সংসার চালাতে হচ্ছে তাকে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ শরীর। একটু কাজ করলেই হাঁপিয়ে ওঠেন। ঠিকমত শুনতে পাননা। পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিন মেয়ে বেঁচে থাকলেও দুই ছেলে মারা গেছেন। বন্ধ হয়ে গেছে বয়স্কভাতা। এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে জীবনযুদ্ধে হার না মানা সেই ছব্দুল গাজীর পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ সালাউদ্দীন দিপু।
ছব্দুল গাজী যশোরের অভয়নগর উপজেলার বুইকারা গ্রামের মৃত হারান গাজীর ছেলে। গত এক যুগ ধরে মৃত ছেলের স্ত্রী ও সন্তানদের সংসারে বসবাস করেন তিনি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ইট ভেঙে ৩০০/৪০০ টাকা আয় করে সেই টাকা দিয়ে চলে তাদের সংসার।
সম্প্রতি একটি নিউজ পোর্টালে বৃদ্ধ ছব্দুল গাজীকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টিগোচর হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে শতবর্ষী সেই ছব্দুল গাজীকে নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আনা হয়। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ সালাউদ্দীন দিপু তাঁর হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।
আবেগাপ্লুত হয়ে ছব্দুল গাজী বলেন, সাংবাদিকরা আমার ছবি তুলেছিল। তারপর ইউএনও সাহেব আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে তার অফিসে এনে সাহায্য করেছেন। আল্লাহর কাছে সকলের জন্য দোয়া করব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেন, বৃদ্ধ ছব্দুল গাজীর বন্ধ হওয়া বয়স্কভাতা দ্রুত সচল করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতি মাসে নওয়াপাড়া পৌরসভার পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করা হবে। তাছাড়া সরকারি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধারও ব্যবস্থা করা হবে।