October 28, 2026, 3:08 pm
শিরোনাম :
কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে অভয়নগরে জামায়াতের বিশাল মিছিল অভয়নগরে ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ১০৪

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা রোধ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে অন্তত ১০৪ জন কিশোরকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। উঠতি বয়সী এসব কিশোরের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্র ও শনিবারের বিশেষ এই অভিযানে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের আটক করা হয়। এর মধ্যে হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ৪০ জন এবং বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩১ জনকে আটক করা হয়। এছাড়া চরজব্বর থানায় ১০ জন, কোম্পানীগঞ্জ ও চাটখিল থানায় ৬ জন করে, কবিরহাট থানায় ৪ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৩ জন এবং সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী থানায় ২ জন করে কিশোরকে আটক করা হয়েছে।

অভিযানের পর আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পাশাপাশি তাদের পরিবারের অভিভাবকদের থানায় ডেকে পাঠানো হয়। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার শর্তে মুচলেকা নিয়ে আটক কিশোরদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এসব কিশোরের অপরাধপ্রবণতা কমিয়ে তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে এই ধরনের সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এই অভিযানের বিষয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কেবল পুলিশি অভিযান দিয়েই কিশোর অপরাধ পুরোপুরি দমন করা সম্ভব নয়, এজন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।