October 28, 2026, 2:59 pm
শিরোনাম :
ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে অভয়নগরে জামায়াতের বিশাল মিছিল অভয়নগরে ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার?

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী পয়লা নভেম্বর থেকে দেশের সরকারি চাকরিজীবীরা সংশোধিত নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় অতিরিক্ত অর্থ পেতে শুরু করবেন। এই নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার ফলে সরকারি ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে, যা মেটানোর জন্য প্রশাসনকে বাড়তি অর্থ সংস্থান করতে হচ্ছে। সীমিত রাজস্ব আয়ের মুখে এই বিশাল অঙ্কের বাড়তি ব্যয় সামাল দেওয়া সরকারের জন্য একটি বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত রাজস্ব থেকে এই বিশাল ব্যয় সরাসরি বহন করা সম্ভব না হওয়ায় সরকারকে শেষ পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার পথ বেছে নিতে হচ্ছে। বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত উৎস থেকে এই তহবিল সংগ্রহের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এভাবে ঋণ করে বেতন বা পরিচালন ব্যয় মেটানো দীর্ঘমেয়াদে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর এক ধরনের বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

নতুন এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ফলে সরকারের বাজেট ঘাটতি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তবে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, সীমিত সম্পদ ও আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা আশা করছেন, সুচারু আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই বাড়তি ঋণের বোঝা সফলভাবেই সামাল দেওয়া সম্ভব হবে।

সব মিলিয়ে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর থাকলেও জাতীয় অর্থনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারকরা এখন রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পাশাপাশি ঋণ ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন যাতে বাজেট শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায়। আগামী দিনে এই বাড়তি আর্থিক চাপ কীভাবে সামাল দেওয়া হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।