October 28, 2026, 3:09 pm
শিরোনাম :
কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে অভয়নগরে জামায়াতের বিশাল মিছিল অভয়নগরে ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের পলাতক নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের পলাতক নেতাকর্মীদের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাদের আটক করে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা।

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে সরকারবিরোধী বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত ছিলেন। তারা বিভিন্ন ধরনের উস্কানিমূলক কনটেন্ট তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচার করতেন। এর মাধ্যমে সমাজে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছিল বলে গোয়েন্দা সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, এই দুই আসামির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং সেই অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্লবী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের বিধান অনুযায়ী দুটি পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলার পর তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং রিমান্ডে এনে এ ঘটনার পেছনে অন্য কারও হাত রয়েছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।