October 28, 2026, 1:34 am
শিরোনাম :
এআইয়ের সঙ্গে করা চ্যাট ডিলিট করলেও সব ডিলিট হয় না এআইয়ের পানি ব্যবহার নিয়ে স্যাম অল্টম্যানের দাবি কতটা সত্য জীববৈচিত্র্য: প্লাস্টিক বর্জ্যে সয়লাব সুন্দরবন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে, পিছিয়ে উচ্চমূল্যের পণ্য বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া আলোচনা: মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে দুই দেশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না নেতানিয়াহু বা বিরোধী জোট, রেকর্ড সংখ্যক আসন পাচ্ছে আরব দলগুলো প্রার্থী বাছাইয়ে এমপিদের নিয়ে চিন্তায় বিএনপি ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট নিয়ে সুখবর দিল সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে গলাকাটা ফি নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা চলবে না: মুসাদ্দিক

হাম উপসর্গ : খুলনা বিভাগে হটস্পট কুষ্টিয়া-যশোর ও খুলনা!

নওয়াপাড়া ডেস্ক

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি শিশু রোগীর সংখ্যা। এরমধ্যে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা হটস্পটে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে দুইজনের। যার মধ্যে ২ জনই কুষ্টিয়ার। গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা তিনশো ছুঁই ছুঁই। আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যমতে, প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়া থেকে গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় ২৯৯ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা কুষ্টিয়া জেলার।

কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে সর্বোচ্চ ১০৩ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আর মারা গেছে দুইজন। এছাড়া খুলনায় ৫৮ শিশু, যশোরে ৫৯, বাগেরহাটে ৬, চুয়াডাঙ্গায় ৬, ঝিনাইদহে ১৮, মাগুরায় ১৭, মেহেরপুরে ৪, নড়াইলে ১২ এবং সাতক্ষীরায় ১৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে, শনিবার হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছে ৫৬ শিশু। এরমধ্যে সাতক্ষীরায় ১৩, কুষ্টিয়ায় ১২, খুলনায় ৬, যশোরে ৫, বাগেরহাটে ২, চুয়াডাঙ্গায় ৩, ঝিনাইদহে ৩, মাগুরায় ৫, মেহেরপুরে ২ ও নড়াইলে ৫ নতুন করে ভর্তি হয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান সৈয়েদা রুখশানা পারভীন বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। একজন আক্রান্ত শিশু হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সহজেই অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে যেসব শিশু নিয়মিত টিকা পায়নি বা অপুষ্টিতে ভুগছে, তাদের ঝুঁকি বেশি।

তিনি বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে হামসহ সংক্রামক রোগে আক্রান্তদের ভর্তি করা হয় না। কিন্তু এই রোগের গুরুত্ব বিবেচনায় ও খুলনায় যে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালটি রয়েছে তার সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে আমাদের এখানে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি আইসোলেশন সেন্টার তৈরি করে শিশুদের রাখা হয়েছে। এই মুহূর্তে সরকারের ব্যাপকভাবে একটি ভ্যাক্সিনেশন ব্যবস্থা চালু করা দরকার উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পক্ষে এই মুহূর্তে ব্যাপকহারে হামের শিশু ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া কঠিন কাজ। কারণ এমনিতে এই হাসপাতালে ৪৮ বেডের বিপরীতে ২ শতাধিক শিশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিসাধীন রয়েছে।