October 28, 2026, 11:09 am
শিরোনাম :
জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম কেনায় শত কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে: দুদক

Reporter Name

ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় সংসদ ভবনের প্লেনারি হলে আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন এবং এর রক্ষণাবেক্ষণের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবং এর শীর্ষ কর্মকর্তা সহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়। কমিশনের মহাপরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জানান, কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহিম জোয়ারদারসহ অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানের তথ্য অনুযায়ী, বিগত সরকারের আমলের শেষ দিকে সংসদ ভবনের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত কাজের জন্য বড় অংকের সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে একাধিকবার ওই সাউন্ড সিস্টেমে বড় ধরনের কারিগরি ত্রুটি ও বিভ্রাট দেখা দেয়। এমনকি পরবর্তীতে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সময় সিস্টেমে নতুন করে ক্ষতি সাধিত হলে আবারও একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মেরামতের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জানা গেছে, সংসদ ভবনের এই সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার ও মেরামতের কাজের জন্য প্রায় ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল যার মধ্যে অন্তত ৫ কোটি টাকা ইতিমধ্যে খরচ দেখানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গণপূর্ত প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে সরকারি তহবিল থেকে এই অর্থ লোপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য খাতের কেনাকাটায় দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগও রয়েছে।