October 28, 2026, 11:10 am
শিরোনাম :
জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড

হেলথ ইন্স্যুরেন্সের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Reporter Name

স্বাস্থ্য ডেস্ক: সাধারণ মানুষের পকেট থেকে চিকিৎসার চড়া খরচ মেটাতে গিয়ে যে চরম দুর্ভোগ তৈরি হয়, তা দূর করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের নাগালে আনতে এবং চিকিৎসা খাতের আর্থিক চাপ কমাতে হেলথ ইন্স্যুরেন্স বা স্বাস্থ্য বিমার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কথা জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট এই ‘জাতীয় স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ : নকশা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো’ শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের মানুষের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নের কাজ চলছে এবং এর অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংশ্লিষ্ট আইন পর্যালোচনা ও সমন্বয় করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ের এই অসহনীয় বোঝা কমাতেই হেলথ ইন্স্যুরেন্স চালুর বিষয়টি এখন অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এছাড়া দেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন ও এর কার্যক্রম খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি, কারণ সাধারণ মানুষের মাঝে এই আইনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোরালো তাগিদ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নে যে ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, তা দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পুরোপুরি উপযোগী হলেও একসঙ্গে সবকিছু বাস্তবায়ন করা বেশ কঠিন। এই বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে ধাপে ধাপে পাইলট স্কিম হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, গর্ভকালীন সময়ে মা ও নারীদের বিভিন্ন জটিলতায় যে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়, তা থেকে তাদের সুরক্ষা দিতে হবে। এ লক্ষ্যে দেশের হেলথ সেন্টারগুলোকে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসে রূপান্তর করা হবে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মেশিনের সাহায্যে ব্রেস্ট ক্যানসার ও সার্ভিকাল ক্যানসারের স্ক্রিনিং ও পরীক্ষা করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে এই পদ্ধতি সফলভাবে চলমান রয়েছে এবং খুব কম খরচে দেশের সব উপজেলা পর্যায়ে এই আধুনিক সেবা চালু করা হবে।

স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও নানা চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। দেশের প্রতিটি স্তরে উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিক ও বদ্ধপরিকর বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।