November 4, 2026, 7:45 pm
শিরোনাম :
সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগারগাঁওয়ে আবারও সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস বিতর্কিত ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’ প্রকল্পের নথি দেখানোর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের হোঁচট, চাপে পড়তে পারেন ইনফান্তিনো বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচের সঙ্গে ডিজিইপের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক ইরান যুদ্ধ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে: ডেমোক্র্যাট নেতা শুমার অভয়নগরে প্রয়াত তরিকুল ইসলামের স্মরনসভা মাদক সেবনের দায়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার, ১৫ দিনের কারাদণ্ড সংবাদ প্রকাশের জেরে গ্রেপ্তারে নিতে হবে আদালতের পূর্বানুমতি

বড়দিন উদ্‌যাপনে দুই কোটি টাকা চেয়েছিল খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্ট, প্রধানমন্ত্রী দিলেন তিন কোটি

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন সাড়ম্বরে উদ্‌যাপনের জন্য দুই কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা চেয়েছিল খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই অনুদান পাওয়ার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু ট্রাস্টের চাহিদাকে ছাড়িয়ে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুদানের পরিমাণ এক কোটি টাকা বাড়িয়ে মোট তিন কোটি টাকা দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো একটি বিশেষ সারসংক্ষেপে এই অনুদান বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছিল। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উৎসব নির্বিঘ্নে পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। তারই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এই তহবিল ছাড়করণের প্রাথমিক প্রস্তাবটি পেশ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী এই প্রস্তাব অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তিনি কেবল প্রস্তাবিত দুই কোটি টাকা অনুমোদনই করেননি, বরং উৎসবের পরিসর ও গুরুত্ব বিবেচনা করে তা বাড়িয়ে তিন কোটি টাকায় উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। এর ফলে খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট তাদের নির্ধারিত কার্যক্রম আরও বড় পরিসরে পরিচালনা করার সুযোগ পাবে।

আসন্ন আগামী পঁচিশ ডিসেম্বর উদ্‌যাপিত হতে যাওয়া এই বড়দিন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানা ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রাপ্ত এই অতিরিক্ত অর্থ দেশের বিভিন্ন স্থানে বসবাসরত খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এবং বিভিন্ন আয়োজনের খরচ মেটাতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।