October 28, 2026, 11:10 am
শিরোনাম :
জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড

ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে কী বুঝাতে চাইলেন

Reporter Name

বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে কূটনৈতিক প্রস্তুতি চলছে। এর মধ্যেই গত রবিবার রাজধানীতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের মুখোমুখি হন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। এই বিষয়ে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের দেওয়া বক্তব্য কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা সাবেক এই বাংলাদেশ নেত্রীকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাইলে হাই কমিশনার অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মন্তব্য করেন। সাধারণত কূটনৈতিক মহলে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো যেভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়, তার চেয়ে একটু ভিন্ন ভঙ্গিতে তিনি কিছু ইঙ্গিত দেন। তার এই বক্তব্যের গভীর অর্থ কী হতে পারে, তা নিয়ে এখন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সমীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক যোগাযোগের প্রাক্কালে এই ধরনের বার্তা বিশেষ বার্তা বহন করে। দিল্লি ও ঢাকার মধ্যকার বর্তমান সম্পর্কের বাস্তবতায় এটি একটি নতুন মোড় হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, শেখ হাসিনার ভারত অবস্থান এবং তার প্রত্যর্পণ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিল পরিস্থিতি আগামী দিনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের আসন্ন যোগাযোগের মাধ্যমেই এই বিষয়ের প্রকৃত চিত্র আরও পরিষ্কার হয়ে উঠবে।