November 5, 2026, 1:25 pm
শিরোনাম :
মানিক মিয়াতে জেমসের ফ্রি কনসার্ট, থাকছে আরও ছয় ব্যান্ড জলপাই সংগ্রহে ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ালেন ইসরায়েলের সাবেক জেনারেলরা এএসপি হলেন পুলিশের ৬৭ পরিদর্শক ফের বাড়ল জেট ফুয়েলের দাম, রাতেই কার্যকর ম্যাচের আগে কার সঙ্গে দেখা করলেন মেসি খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজারে সাইবার হামলা, সতর্ক অবস্থায় আরো অনেকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সড়কে মানুষের ঢল, স্টেডিয়াম এলাকায় কড়া নিরাপত্তা সিরাজগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটের ফ্রিজারে সাইবার হামলা, সতর্ক অবস্থায় আরো অনেকে

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউরোপের দশটি দেশের বিভিন্ন সুপারমার্কেটের হিমাগার এবং ফ্রিজিং ব্যবস্থা সম্প্রতি ভয়াবহ সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম এবং সুইডেনের মতো দেশগুলোর খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো এই ডিজিটাল আক্রমণের কবলে পড়ে। হঠাৎ করেই ফ্রিজারগুলোর তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংরক্ষিত খাদ্যপণ্য নষ্ট হতে শুরু করে।

এই সাইবার হামলার কারণে সুপারমার্কেটগুলোর শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ এবং হিমায়ন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ে। এর ফলে বিশাল পরিমাণ তাজা খাবার, মাংস এবং হিমায়িত পণ্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্য ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেন এবং ক্রেতাদের নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক পণ্য বিক্রি বন্ধ রাখেন।

ঘটনার আকস্মিকতায় ইউরোপজুড়ে খাদ্য সরবরাহ শৃঙ্খলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে এবং ব্যবসায়িক ক্ষতির পরিমাণও নেহাত কম নয়। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, দূরবর্তী কোনো শক্তিশালী হ্যাকার গোষ্ঠী এই নাশকতার পেছনে জড়িত থাকতে পারে। তবে কোন নির্দিষ্ট চক্র এই সাইবার হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এই ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর সুপারমার্কেট কর্তৃপক্ষ তাদের সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে ইউরোপের অন্যান্য দেশের খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ডিজিটাল অনুপ্রবেশ রোধ করা যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে পুরো ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন।