October 27, 2026, 8:29 pm
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী ঢাকা টেস্ট যেন নিজেদের প্রমাণের পরীক্ষা স্টার্কের ৬ বলে ৪ উইকেট, কেপটাউনে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন অস্ট্রেলিয়ার ফ্রান্সের পথে পথে বাংলাদেশের ‘পথের বন্ধু’ বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদ, যন্ত্রাংশ ও দুটি গাড়ি নিয়ে গেলেন শেকৃবির শিক্ষার্থীরা জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে চালু হলো বিনা মূল্যে হুইলচেয়ার সেবা হামলা বন্ধে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির জিপিএ–৫ পাওয়া ১৩৫ শিক্ষার্থী ও চা–দোকানি মা-বাবাকে সংবর্ধনা যে লাউ সেই কদু আরব অধ্যুষিত এলাকায় ভোটার উপস্থিতি বেশি, উদ্বিগ্ন নেতানিয়াহু

ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখায় ১–২ লাখ টাকা গ্রাহকেরা পাচ্ছেন

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখায় টাকা তোলার সুযোগ পুনরায় চালু হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই শাখা থেকে গ্রাহকেরা এখন তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত নগদ অর্থ সংগ্রহ করতে পারছেন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সাধারণ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের আর্থিক ভোগান্তি কিছুটা হলেও লাঘব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এই শাখা থেকে গ্রাহকেরা বর্তমানে তাঁদের সঞ্চয়ী হিসাবের বিপরীতে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারছেন। অন্যদিকে, চলতি হিসাবের ক্ষেত্রে উত্তোলনের এই সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত। ব্যাংকের তরফ থেকে নগদ অর্থের সরবরাহ ও তারল্য পরিস্থিতি বিবেচনা করেই মূলত এই সুনির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উত্তোলনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ব্যাংকিং সেবা পুনরায় চালু হওয়ায় মহাখালী শাখার সামনে গ্রাহকদের উপস্থিতিও কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। হিসাবধারীরা স্বাচ্ছন্দ্যেই ব্যাংকে এসে নির্ধারিত সীমার মধ্যে নিজেদের অর্থ সংগ্রহ করতে পারছেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রাহকদের আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং সার্বিক লেনদেন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করতে তাদের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন সংকটের মাঝে ন্যাশনাল ব্যাংকের এই শাখা থেকে টাকা উত্তোলনের সুযোগ চালু হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা মনে করছেন, ধীরে ধীরে অন্যান্য শাখাতেও যদি স্বাভাবিক লেনদেন নিশ্চিত করা যায়, তবে পুরো ব্যাংকিং খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার সংকট কেটে যাবে এবং স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।