October 27, 2026, 6:41 pm
শিরোনাম :
জিপিএ–৫ পাওয়া ১৩৫ শিক্ষার্থী ও চা–দোকানি মা-বাবাকে সংবর্ধনা যে লাউ সেই কদু আরব অধ্যুষিত এলাকায় ভোটার উপস্থিতি বেশি, উদ্বিগ্ন নেতানিয়াহু অভয়নগরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, শিক্ষক পলাতক খাটে বসলে আলো জ্বলে, আছে গেমিং চেয়ার মালয়েশিয়ায় ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বিডি এক্সপার্ট ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের সাবস্টেশনে চুরি, ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন নতুন ভবন সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় যোগ দিলেন জেসিন্ডা আরডার্ন প্রশাসনিক জটিলতায় জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসায় যেন গাফিলতি না হয়: নাহিদ ইসলাম মুন্সিগঞ্জে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেপ্তার যুবক

খাটে বসলে আলো জ্বলে, আছে গেমিং চেয়ার

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় শুরু হয়েছে ২১তম জাতীয় ফার্নিচার মেলা। বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতির আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নিয়েছে। মেলায় কেবল দেশীয় কারখানায় উৎপাদিত আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন আসবাবপত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। গৃহসজ্জার পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে আয়োজক ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো নানা ধরনের ছাড় ও উপহারের ব্যবস্থা করেছে।

এবারের মেলায় ঘর সাজানোর সামগ্রীতে এসেছে নজরকাড়া প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ও বৈচিত্র্যময় নকশা। কাঠের তৈরি আসবাবে ঐতিহ্যবাহী অ্যান্টিক ও সোনালি রঙের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সোফার ক্ষেত্রে সাধারণ কাপড়ের পরিবর্তে কৃত্রিম চামড়া বা পিইউ লেদার ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খুব সহজে পরিষ্কার করা যায়। এছাড়া বিভিন্ন স্টলে ছোট জায়গায় ব্যবহার উপযোগী সোফা কাম বেড এবং স্থান সাশ্রয়ী আধুনিক আসবাবের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ করা গেছে।

প্রদর্শনীতে প্রযুক্তি ও আরামকে প্রাধান্য দিয়ে বেশ কিছু নতুন পণ্য নিয়ে এসেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশেষ করে একটি বিশেষ বিছানায় সেন্সর প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে কেউ বসলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে চারপাশের আলো জ্বলে ওঠে। তরুণ প্রজন্ম ও করপোরেট ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে বাজারে আনা হয়েছে বিশেষ ধরনের গেমিং চেয়ার। দীর্ঘ সময় কম্পিউটারে কাজ করা বা গেম খেলার উপযোগী এই চেয়ারগুলোতে আরামদায়ক নাইলন মেশ ব্যবহার করা হয়েছে।

মেলা উপলক্ষে অংশ নেওয়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের জন্য ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত আকর্ষণীয় মূল্যছাড় ঘোষণা করেছে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রবেশমূল্য ছাড়াই দর্শনার্থীরা এই মেলা ঘুরে দেখতে পারছেন। ছুটির দিন ছাড়াও প্রতিদিন ক্রেতা ও গৃহসজ্জা প্রেমীদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠছে মেলার বিভিন্ন স্টল। অনেকেই নানা প্রতিষ্ঠানের আসবাবের নকশা, গুণগত মান ও দামের তুলনা করে পছন্দের পণ্যটি সংগ্রহ করছেন।