October 28, 2026, 11:19 am
শিরোনাম :
স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য

নামের মিলে ১০ মাস ধরে কারাগারে, তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

Reporter Name

নামের মিল থাকার কারণে ভুলের শিকার হয়ে প্রায় দশ মাস ধরে কারাভোগ করছেন এক ব্যক্তি। প্রকৃত অপরাধীর পরিবর্তে তাকে কারাগারে আটকে রাখার এই ঘটনাটি আদালতের নজরে আসার পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিচারপ্রার্থী ওই ব্যক্তির পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। অবশেষে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশuায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন ভুক্তভোগীর স্বজনেরা।

আদালতে দাখিল করা রিট আবেদনে ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ২ নম্বর কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দেওয়া একটি প্রত্যয়নপত্র যুক্ত করা হয়েছে। এই নথিপত্র এবং অন্যান্য কাগজপত্রে স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে যে, বর্তমানে যিনি কারাগারে বন্দি আছেন তিনি প্রকৃত অপরাধী নন। মূলত অপরাধীর সঙ্গে নাম এবং আংশिक ঠিকানার মিল থাকার ফলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে উচ্চ আদালত এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে একটি নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ judiciaire বা প্রশাসনিক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই আদেশের ফলে নিরপরাধ ওই ব্যক্তির কারামুক্তির পথ এবং ভুলের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নামের ভুলের কারণে সাধারণ মানুষের এই ধরনের ভোগান্তি বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে যদি ওই ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া না হয়, তবে তা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে। দেশজুড়ে এমন বহু ঘটনা ঘটে থাকে যেখানে সঠিক পরিচয়ের অভাবে নিরাপরাধ মানুষ বছরের পর বছর কারাগারে কাটান, যা রোধে আরও বেশি সতর্কতা প্রয়োজন।