October 28, 2026, 11:21 am
শিরোনাম :
স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য

৪৪ উদ্ভাবন পেল বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন পুরস্কার

Reporter Name

প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও ডিজিটাল রূপান্তরকে উৎসাহিত করার লক্ষ্য নিয়ে রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস। ‘উদ্ভাবনকে স্বীকৃতি, রূপান্তরকে অনুপ্রেরণা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে দেশের সম্ভাবনাময় প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনগুলোকে সম্মানিত করা হয়। তরুণ ও অভিজ্ঞ উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতা এবং গবেষণালব্ধ কাজগুলো সবার সামনে তুলে ধরার এটি একটি বড় মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে এই আয়োজন বিশেষ ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এবারের আয়োজনে দেশজুড়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জমা পড়া অভিনব প্রকল্পগুলোর মধ্য থেকে সেরা উদ্ভাবনগুলোকে নির্বাচন করা হয়। কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া শেষে মোট চুয়াল্লিশটি প্রকল্পকে পুরস্কারের জন্য বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে নয়টি ব্যতিক্রমী উদ্ভাবন চ্যাম্পিয়ন খেতাব অর্জন করে এবং দশটি প্রকল্প উইনার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। এছাড়া আরও পঁচিশটি প্রকল্পকে মেরিট পুরস্কার প্রদান করা হয়, যা উদীয়মান প্রযুক্তিবিদদের জন্য বড় একটি অনুপ্রেরণা।

প্রযুক্তি খাতের এই স্বীকৃতি দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে এবং গবেষণামূলক কাজে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা। দেশীয় প্রযুক্তির উন্নয়ন ও আধুনিক বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত তরুণ উদ্ভাবকরা তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রযুক্তিভিত্তিক নানা সমাধান নিয়ে অনুষ্ঠানে নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতনামা প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং করপোরেট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত থেকে বিজয়ী উদ্ভাবকদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজস্ব প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক আয়োজন আগামী দিনে বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।