October 28, 2026, 4:05 pm
শিরোনাম :
বাংলাদেশ-জাপান ছয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রতিশ্রুতি মানুষের নীতি বলে কিছু নেই—মানবজাতি নিয়ে মত দিল ১৪টি এআই মডেল বোদা ভূমি অফিসের তিন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে অভয়নগরে জামায়াতের বিশাল মিছিল অভয়নগরে ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের

সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার ও স্ত্রীর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত পৌনে দুই কোটি টাকার সম্পদ

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পুলিশের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুদকের ময়মনসিংহ জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে মামলা দুটি রেকর্ড করা হয় এবং পরবর্তীতে আদালতের কাছে মামলার নথিপত্র পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন বিরোধী এই সংস্থাটি।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত মো. ফখরুদ্দীন ভূঞা সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন এবং গত বছরের শেষ দিকে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে যান। তাঁর স্ত্রী জাহানারা খানমকে প্রথম মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। স্বামীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় তিনি ৮৩ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলাটিতে কেবল সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ফখরুদ্দীন ভূঞাকে এককভাবে আসামি করা হয়েছে। দুদকের কাছে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর বৈধ আয় ও পারিবারিক খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৯২ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ বা অর্জিত সম্পত্তির অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছর এই দম্পতিকে তাদের সম্পত্তির বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ অনুযায়ী তারা গত মার্চ মাসে বিবরণী জমা দিলেও পরবর্তীতে তা যাচাই-বাছাই করে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্তের সময় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।