October 28, 2026, 11:08 am
শিরোনাম :
জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড

বড় সংস্কার ছাড়া সংবিধানের ছোটখাটো সংশোধনে রাষ্ট্রকাঠামো বদলাবে না

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে যে ব্যাপক জনআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও গবেষক অধ্যাপক আলী রীয়াজ প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। গণ-অভ্যুত্থানের দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও সংস্কারের গতিপ্রকৃতি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন না আনলে কেবল নামেমাত্র সংশোধনী দিয়ে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।

সাক্ষাৎকারে সংবিধান সংস্কারের রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এবং বিভিন্ন মহলের বিতর্ক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সাবেক এই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংস্কারের রূপরেখা নিয়ে এখনো নানা মতপার্থক্য রয়েছে, যা সংস্কার প্রক্রিয়াকে কিছুটা হলেও শ্লথ করে দিচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, একটি অংশকে বাদ দিয়ে বা একপক্ষীয়ভাবে সংবিধান সংশোধন করা হলে ভবিষ্যতে এর বড় ধরনের রাজনৈতিক নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে সকল অংশীজনের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন। অতীতে সংবিধান সংশোধনের যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তার অনেকগুলোই রাজনৈতিক দলগুলোর সংকীর্ণ স্বার্থের কারণে ব্যর্থ হয়েছে। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সংবিধান প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি।

আলোচনার শেষ পর্যায়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের এই ঐতিহাসিক সুযোগ হাতছাড়া হলে দীর্ঘমেয়াদে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়বে। সাধারণ মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে।