October 28, 2026, 2:52 pm
শিরোনাম :
ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে অভয়নগরে জামায়াতের বিশাল মিছিল অভয়নগরে ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রত্যেকের অধিকার-নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার ও সার্বিক নিরাপত্তা বিধান করা সরকারপ্রধান হিসেবে তার সর্বপ্রধান দায়িত্ব। সম্প্রতি সচিবালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজধানীর আটটি মন্দিরের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে এই সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী নেতারা দেশের পটপরিবর্তনের পর থেকে নিজেদের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের কথা তুলে ধরেন এবং পূজা উপলক্ষে ছুটির মেয়াদ ও সরকারি অনুদান বৃদ্ধি করায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর অল্প সময়ের মধ্যে জনকল্যাণে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা থেকে সরকারের সদিচ্ছার বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। এছাড়া দেশের যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে কিংবা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সব ধর্মের মানুষ সবসময় ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন।

ঐতিহাসিক বিভিন্ন ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন যে, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানে জাতি, ধর্ম ও বর্ণনির্বিশেষে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিল। তিনি আরও বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে যদি ধর্মকে বিভাজনের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা না হয়, তবে সাধারণ সময়েও তা হতে দেওয়া হবে না। মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করতে তিনি তার সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে জানান।

এদিকে একই দিনে সচিবালয়ে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে আসা একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই বৈঠকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে কানাডার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদী রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ওপর তিনি জোর দেন, যাতে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর থেকে এই অতিরিক্ত জনস্রোতের চাপ কমানো সম্ভব হয়।