October 28, 2026, 3:09 pm
শিরোনাম :
কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে অভয়নগরে জামায়াতের বিশাল মিছিল অভয়নগরে ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

নতুন মাছ থেকে পোষা ড্রাগন, এআই বানাচ্ছে নতুন নতুন প্রাণী

Reporter Name

বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতির ফলে ইন্টারনেটে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের নতুন ও বিস্ময়কর বিষয় সামনে আসছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন তুলেছে এআই-এর সাহায্যে তৈরি কাল্পনিক সব প্রাণীর ছবি ও ভিডিও। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গভীর সমুদ্রের অজানা কোনো নতুন মাছ কিংবা অবাস্তব সব পোষা ড্রাগনের ছবি ভাইরাল হয়েছে, যা দেখে সাধারণ মানুষ সহজে বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এই ছবিগুলো এত নিখুঁতভাবে তৈরি করা হচ্ছে যে প্রথম দেখাতে সেগুলোকে আসল প্রাণী বলে ভুল করাটাই স্বাভাবিক।

প্রযুক্তির এই অপব্যবহারের ফলে ডিজিটাল দুনিয়ায় এক ধরনের বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যার সুযোগ নিচ্ছে বিভিন্ন ভুয়া কনটেন্ট নির্মাতা চক্র। তারা সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও বানোয়াট জীবকে বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার বা বাস্তব প্রাণী হিসেবে উপস্থাপন করে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করছে। লাখ লাখ ব্যবহারকারী এসব পোস্টের সত্যতা যাচাই না করেই তা শেয়ার করছেন, যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে ভুল তথ্য বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এ ধরনের ঘটনা ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তথ্যের সত্যতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে সতর্ক করে আসছেন এবং এই ধরনের ডিপফেক বা জেনারেটিভ ছবি শনাক্ত করার ওপর জোর দিচ্ছেন। সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতার অভাব থাকায় তারা খুব দ্রুত এআই-নির্মিত এসব কল্পিত প্রাণীর ফাঁদে পা দিচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী পেজ ও অ্যাকাউন্টগুলো এ ধরনের আকর্ষণীয় ছবি দিয়ে লাইক ও ভিউ বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের খবরের চেয়ে এ ধরনের ভুয়া ও মনগড়া বিষয়গুলো মানুষের বেশি নজর কাড়ছে।

সামাজিক মাধ্যমের এই ভুয়া সংস্কৃতি রোধ করতে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তিবিদরা কাজ শুরু করলেও ক্ষতিকর কনটেন্ট ছড়ানো পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের আরও বেশি সতর্ক হওয়ার এবং যেকোনো তথ্য বা ছবি শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে কোনো অদ্ভুত বা নতুন প্রাণীর সন্ধান পেলে তা কোনো নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক উৎস থেকে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। অন্যথায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই আধুনিক যুগে অসচেতনতার কারণে ভুল তথ্যের বিস্তার আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।