October 28, 2026, 3:08 pm
শিরোনাম :
কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে অভয়নগরে জামায়াতের বিশাল মিছিল অভয়নগরে ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে বিজিবি-এসআরবি-পুলিশ-আনসার, আকাশে হেলিকপ্টার-ড্রোন

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলোতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি মণ্ডপে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি এবং এসআরবি সদস্যরা যৌথভাবে মাঠে নেমেছেন। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তাদানের পাশাপাশি যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করা এবং প্রতিমা বিসর্জন কার্যক্রম শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের টহলের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানান, দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। যেকেনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য বিশেষ কমান্ডো টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, ডগ স্কোয়াড এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের মণ্ডপগুলোর সুরক্ষায় বিশেষ বেজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে ২৪ ঘণ্টা সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিং করা হচ্ছে যাতে তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো যায়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবার সারা দেশের প্রায় ৩২ হাজার পূজামণ্ডপকে নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আনসার ও ভিডিপি সদসদের পাশাপাশি এসআরবির পক্ষ থেকেও নিয়মিত টহল ও মোবাইল স্ট্রাইকিং টিম সক্রিয় রয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পূজা উদ্‌যাপন উপলক্ষে সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যার মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, দর্শনার্থী তল্লাশি এবং স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়োজিত রাখার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করা হয়েছে, যার অংশ হিসেবে বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা কমিটির মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি আকাশপথে ড্রোন ও হেলিকপ্টার দিয়ে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের গুজব প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং দল তৎপর রয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে রাজধানীর প্রতিটি মণ্ডপ উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিমা বিসর্জনের সময় পর্যাপ্ত আলো, নৌ টহল এবং সুনির্দিষ্ট রুট মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন হয়।