October 28, 2026, 11:26 am
শিরোনাম :
স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য

চীনে সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার তৈরি হচ্ছে

Reporter Name

ডেস্ক রিপোর্ট: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে বিশাল উদ্যোগ নিয়েছে চীন। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় উলাঞ্চাব শহরে প্রায় ৯০টি সুবিশাল ডেটা সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বেইজিং প্রশাসন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের অবকাঠামো উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চীনকে প্রতিষ্ঠিত করতেই এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব তথ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে মূলত দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে উলাঞ্চাবে ‘এনভিশন গ্যালাক্সি ক্যাম্পাস’ নামের একটি বিশাল ডেটা সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে, যার আয়তন প্রায় ২০টি ফুটবল মাঠের সমান। এই কেন্দ্রটির বিশেষত্ব হলো, এর মোট জ্বালানি চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি সরবরাহ করা হবে সরাসরি স্থানীয় বায়ুকল বা উইন্ড ফার্ম থেকে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এআই ডেটা সেন্টার ও কম্পিউটিং ক্ষমতার দিক থেকে এগিয়ে থাকলেও, চীন তার নিজস্ব কৌশল ও সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

উলাঞ্চাবের এই অগ্রযাত্রার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করছে দ্রুত অবকাঠামো নির্মাণের সক্ষমতা, সুলভ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির প্রাপ্যতা এবং জনসাধারণের বা স্থানীয় কোনো বড় অসন্তোষ না থাকা। এর ফলে মাত্র দুই বছরের মধ্যেই সেখানে গড়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে বায়িন বিগ ডেটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক। আগামী পাঁচ বছরে দেশের তথ্য ও প্রযুক্তি অবকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য প্রায় ৫৬ হাজার কোটি ডলারের বিশাল বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে চীন।

অবশ্য এই বিশাল অগ্রযাত্রার পথে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে, যার মধ্যে উন্নতমানের সেমিকন্ডাক্টর চিপের সংকট অন্যতম। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে উন্নত চিপের অবাধ প্রবেশাধিকার না থাকলেও, চীন এই ঘাটতি পুষিয়ে নিচ্ছে নবায়নযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে। বৈশ্বিক প্রযুক্তির বাজারে এই অভিনব কৌশল চীনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত প্রতিদ্বন্দী হিসেবে টিকিয়ে রাখতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে।