October 28, 2026, 2:52 pm
শিরোনাম :
ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে অভয়নগরে জামায়াতের বিশাল মিছিল অভয়নগরে ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী

কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা, উত্তেজনা

Reporter Name

পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন ঘেরাও করার একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। কলকাতার বেশ কয়েকটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হওয়ায় কূটনৈতিকপাড়ায় বাড়তি নিরাপত্তা সতর্কতা গ্রহণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান এবং ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি অব ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-এর যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়। দুপুরে কলকাতার শিয়ালদহ রেল স্টেশন এলাকা থেকে এই বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে বাংলাদেশ মিশনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। মিছিলে বিভিন্ন আশ্রমের সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনী ছাড়াও রাজনৈতিক দলটির বেশ কিছু নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।

মিছিলটি ডেপুটি হাইকমিশনের কাছাকাছি পৌঁছানোর আগেই নিরাপত্তার স্বার্থে কলকাতা পুলিশ কঠোর অবস্থান নেয় এবং প্রায় তিনশ গজ দূরে শক্ত ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেয়। বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে জোরপূর্বক সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এই উত্তেজনার কারণে মিশনসংলগ্ন ব্যস্ত সড়কে বেশ কিছু সময় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে এবং গোটা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে।

পুলিশের শক্ত বলয়ের কারণে বিক্ষোভকারীরা সরাসরি মিশনের সামনে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলেও পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলকে ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়। এই প্রতিনিধি দলটি ডেপুটি হাইকমিশনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দেন, যেখানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং বন্দী নেতার মুক্তির দাবিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। স্মারকলিপি পেশ করার পর সংক্ষিপ্ত স্লোগান দিয়ে আন্দোলনকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে ওই এলাকা ত্যাগ করেন।