October 28, 2026, 3:08 pm
শিরোনাম :
কানাডা ও রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ, জামিনে মুক্ত সেই নারী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করতে অভয়নগরে জামায়াতের বিশাল মিছিল অভয়নগরে ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে জামায়াতের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বোঝা যায় তলেতলে একটা খাতির ছিল: বিএনপি-কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত গোলাম পরওয়ারের সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল দিতে বাড়তি টাকা কোথা থেকে আনছে সরকার? নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি

ইরানে ফের বড় হামলার কথা ভাবছেন ট্রাম্প, সিদ্ধান্ত শিগগির

Reporter Name

ইরানকে ঘিরে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেশটিতে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনার কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের সঙ্গে সৃষ্ট বিরোধ নিরসনে কূটনৈতিক আলোচনার পথ থমকে যাওয়ার পরই মূলত ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এমন কঠোর অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। মার্কিন প্রশাসনের নীতিনির্ধারকরা মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে দেখছেন এবং পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে তা নিয়ে গভীর মূল্যায়ন করছেন। বিগত কয়েক মাস ধরে দুই দেশের মধ্যকার বৈরিতা চরম রূপ ধারণ করায় সামগ্রিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বেড়েই চলেছে।

এই সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অবকাশ যাপনকেন্দ্র ক্যাম্প ডেভিডে একটি উচ্চপর্যায়ের গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে দেশের শীর্ষস্থানীয় নিরাপত্তা ও নীতিনির্ধারক কর্মকর্তারা অংশ নেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত বিষয়গুলো নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া না হলেও, বৈঠকটিতে ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে সে বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এর আগে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়েও ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাত শুরুর ঠিক প্রাক্কালে ঠিক এ ধরনের একটি গোপনীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

বৈঠকটিতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ইরান সংকটের পাশাপাশি ইয়েমেনের সংঘাত ও হুতি বিদ্রোহীদের ভূমিকা নিয়েও বিশদ আলোচনা হয়। সৌদি আরব হুতিদের বিরুদ্ধে মার্কিন বিমান হামলার জন্য ওয়াশিংটনের ওপর নিয়মিত চাপ সৃষ্টি করে আসছে। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত এ ধরনের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার দিকেই বেশি ঝুঁকে রয়েছেন, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের যেকোনো মুহূর্তে কৌশলগত সিদ্ধান্ত বদলানোর নজির রয়েছে।

এদিকে তেহরানের ওপর সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে তাদের হয় পরমাণু বা রাজনৈতিক কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হবে, নতুবা কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ইঙ্গিত দেন যে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে তার পরবর্তী পদক্ষেপ খুব দ্রুতই দৃশ্যমান হবে এবং তেহরানের বর্তমান অবস্থা ভালো নয়। উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ রেখেছে ইরান, যার জবাবে মার্কিন বাহিনীও দেশটির প্রধান বন্দরগুলোতে কড়া অবরোধ বজায় রেখেছে।