October 28, 2026, 11:25 am
শিরোনাম :
স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য

‘আরেকটু’ গেয়ে আলোচনায়, কে এই রোদসী

Reporter Name

বিনোদন ডেস্ক: প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসার আকুতি নিয়ে তৈরি ‘আরেকটু’ শিরোনামের গানটি প্রকাশের পর থেকেই সংগীতপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তরুণ শিল্পী রোদসী ইসফার ফাতেমী। ইউটিউবে মুক্তি পাওয়া এই গানটির কথা ও সুর করেছেন তিনি নিজেই, যা অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল সংখ্যক শ্রোতার নজর কেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গানটির পঙক্তিগুলো শেয়ার করে বিভিন্ন বয়সের মানুষ নিজেদের অনুভূতির প্রকাশ ঘটাচ্ছেন এবং এই তরুণ শিল্পীর সৃজনশীলতার প্রশংসায় মুখর হয়েছেন। মূলত একটু বেশি ভালোবাসা পাওয়ার চিরন্তন আবেদনকেই অত্যন্ত সুনিপুণভাবে এই গানের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন উদীয়মান এই শিল্পী।

সংগীতের ভুবনে রোদসীর পথচলার শুরুটা হয়েছিল মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফটের গান শুনে অনুপ্রাণিত হয়ে। মাত্র তেরো বছর বয়সে এই আন্তর্জাতিক তারকার সৃষ্টিশীলতা দেখে নিজের মনে গান লেখার বীজ রোপণ করেছিলেন তিনি, যা পরবর্তীতে তাঁকে পুরোপুরি এই পেশার দিকে ধাবিত করে। প্রাথমিক পর্যায়ে ইংরেজিতে গান ও গিটার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি বাংলা গানেও মনোনিবেশ করেন এবং ১৭ বছর বয়সে নিজের প্রথম বাংলা গান রচনা করেন। বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক পপ ধারার শিল্পীদের অনুসরণ করার পাশাপাশি তিনি দেশীয় সংগীতাঙ্গনে পপ ধারার একটি শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশের মূলধারার সংগীতাঙ্গন মূলত পুরুষকেন্দ্রিক হওয়ায় নারী শিল্পীদের জন্য গান লেখা ও সুর করার ক্ষেত্রে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে মনে করেন রোদসী। এই প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি কেবল নিজেই একজন সফল গীতিকার ও সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেননি, বরং সম্পূর্ণ নারী বাদ্যযন্ত্রশিল্পীদের নিয়ে একটি বিশেষ লাইভ ব্যান্ড দলও গঠন করেছেন। উপযুক্ত নারী ইনস্ট্রুমেন্টালিস্ট খুঁজে পেতে বেশ কিছুদিন সময় লাগলেও তিনি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের মাধ্যমে সংগীতের নানা শাখায় নারীদের জোরালো উপস্থিতি নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আসছে ডিসেম্বরে পপসংগীতকে প্রধান্য দিয়ে প্রায় এগারোটি গান নিয়ে নিজের দ্বিতীয় পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই তরুণ প্রতিভাধর শিল্পী। এই অ্যালবামের প্রায় সব গানের কথা তাঁর নিজের লেখা এবং কিছু গানের সংগীত প্রযোজনা ও মাস্টারিংয়ের কাজও তিনি নিজেই সম্পন্ন করেছেন। অ্যালবাম মুক্তির পাশাপাশি ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে একক কনসার্ট করার সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর, যেখানে তিনি তাঁর মৌলিক পপ গানগুলোর পসরা সাজিয়ে শ্রোতাদের সামনে হাজির হতে চান। লালমনিরহাটে জন্ম নেওয়া এবং ঢাকায় বেড়ে ওঠা রোদসী বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগে অধ্যয়নরত আছেন এবং তাঁর বাবা দেশের একজন পরিচিত সংগীতশিল্পী।