October 28, 2026, 12:00 pm
শিরোনাম :
৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয়

১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম, ক্ষুধা কমানোয় অগ্রগতি ধীর

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির অবস্থা নিয়ে প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রকাশিত বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট ১২২টি দেশের তালিকাভুক্তির মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৮৪তম। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটলেও শিশুদের পুষ্টির মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত গতি বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা যায়, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের শারীরিক বিকাশের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত নেতিবাচক চিত্র উঠে এসেছে। এই বয়সের শিশুদের মধ্যে উচ্চতার তুলনায় ওজন কমে যাওয়ার প্রবণতা, যা তীব্র অপুষ্টি বা কৃশকায় হিসেবে পরিচিত, তা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শিশুদের এই পুষ্টিহীনতার চিত্রটি দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খাদ্য উৎপাদন ও প্রাপ্যতা কিছুটা বাড়লেও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের সুযোগ এখনও সীমিত। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর পক্ষে শিশুসুলভ পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিশুদের শরীরে। এছাড়া সচেতনতার অভাব এবং গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের বস্তিগুলোতে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাত্রার ঘাটতিও এই পরিস্থিতির জন্য অনেকাংশে দায়ী।

দীর্ঘমেয়াদি এই পুষ্টিহীনতা রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারক ও পুষ্টিবিদরা তাই জরুরি ভিত্তিতে বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও জোরদার করা এবং শিশুখাদ্যের মান নিশ্চিতকরণ।