October 28, 2026, 9:15 pm
শিরোনাম :
বীমা কোম্পানির সিএফও হতে লাগবে ৭ যোগ্যতা পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ছয় জাহাজ এলএনজি কেনা হচ্ছে

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে মোট ছয় কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের জ্বালানি খাতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতেই এই দীর্ঘমেয়াদী ও স্পট মার্কেটভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাণিজ্যিক চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, এই ছয় জাহাজ এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রচলিত জাপান-কোরিয়া মার্কার বা জেকেএম সূচকের তুলনায় বেশ কম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। জ্বালানি আমদানিতে এই সাশ্রয়ী মূল্য সরকারের আর্থিক সাশ্রয় নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করেই অত্যন্ত লাভজনক এই চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে এলএনজি আমদানির এই সিদ্ধান্ত দেশের শিল্পায়ন ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ধারাকে সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংগ্রহে বৈচিত্র্য আনা এবং সাশ্রয়ী ব্যয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। কাতার ও সিঙ্গাপুরের মতো নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের কাছ থেকে এই জ্বালানি আমদানির ফলে দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।

খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে এই এলএনজি চালানগুলো দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। আমদানীকৃত এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার পর তা বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র, সার কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হবে। সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে দেশের শিল্পখাতে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।