October 28, 2026, 7:57 pm
শিরোনাম :
নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ ওজন কমানোর ওষুধে কমছে কসমেটিক সার্জারির চাহিদা পলাশবাড়ীতে এডিপির পৌনে ৩ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে কমিটি ভোটের আগের রাতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, টাকা বিতরণের দাবি

সব যোগ্যতা থাকার পরও শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিতে এত জটিলতা কেন

Reporter Name

শিক্ষা ডেস্ক: বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি পাওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রিতা চলে আসছে। নির্দিষ্ট সময় পূর্ণ হওয়া এবং পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের একাডেমিক ও পেশাগত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বহু কর্মকর্তা বছরের পর বছর ধরে একই পদে আটকে থাকছেন। এই পরিস্থিতি কেবল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের ওপরই নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে না, বরং সামগ্রिक শিক্ষা প্রশাসনের কার্যকারিতাকেও মন্থর করে দিচ্ছে।

শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই সংকটের মূল শেকড় রয়েছে দীর্ঘমেয়ি জনবল পরিকল্পনা ও কাঠামোগত সংস্কারের অভাবে। ক্যাডার সার্ভিস বিধিমালা এবং পদোন্নতির নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সময়মতো পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় না। এর ফলে যোগ্য ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা পদোন্নতি ছাড়াই অবসরে চলে যেতে বাধ্য হন, যা মেধাবী তরুণদের এই পেশায় আসার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।

দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত থাকা কর্মকর্তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে তাদের নায্য দাবি তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, সরকারি অন্যান্য ক্যাডারের তুলনায় শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতির হার অনেক কম এবং প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দীর্ঘ ও দুরূহ। অথচ শিক্ষা ব্যবস্থার মতো একটি সংবেদনশীল ও বৃহৎ খাতের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য প্রশাসন পরিচালনায় যোগ্য কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে থাকা অত্যন্ত জরুরি।

এই জটিলতার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত শিক্ষা ক্যাডারের আটকে থাকা পদোন্নতিগুলো ছাড় করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষা খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, শুধুমাত্র প্রশাসনিক কালক্ষেপণ বন্ধ করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়মিত পদোন্নতি নিশ্চিত করলেই এই দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটানো সম্ভব। অন্যথায় শিক্ষা খাতের গুণগত মান উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়বে।