October 28, 2026, 11:46 am
শিরোনাম :
বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: হাসানুল হক ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

Reporter Name

জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় বাতিল করে তাঁর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল আবেদন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন জমা দেওয়া হয়। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম গণমাধ্যমকে এই আপিল দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।

গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন এবং একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে গত ২০ সেপ্টেম্বর এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। এই মামলার একমাত্র আসামি হিসেবে হাসানুল হক ইনু বর্তমানে কারাবন্দী জীবন কাটাচ্ছেন।

মামলার বিচারিক কার্যক্রমের দীর্ঘ ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গত বছরের ২৫ মার্চ ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়। একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থা তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের নিকট জমা দেয়। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নেন এবং ওই বছরের ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। মামলাটিতে অভিযোগ প্রমাণিত করতে রাষ্ট্রপক্ষে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের সুরক্ষায় দুজন সাফাই সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। উভয় পক্ষের দীর্ঘ আইনি যুক্তি উপস্থাপন শেষে চলতি বছরের ১৩ মে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১০ বছরের সাজার রায়ে অসন্তুষ্ট হয়ে প্রসিকিউশন এখন উচ্চ আদালতে কঠোর শাস্তির দাবিতে আপিল করল। আপিল বিভাগ এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে।