October 28, 2026, 7:57 am
শিরোনাম :
গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রথম ই-পারিবারিক আপিল আদালত চালু হচ্ছে কাল সমুদ্রে মাছের অভয়াশ্রম তৈরি করা হচ্ছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আইজিপির দায়িত্ব থেকে অতি দ্রুত সরে যাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম ভারি বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের জনজীবন, প্রায় ২ লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

মাধ্যমিক স্তর: নিয়োগের আগে প্রশিক্ষণ নিতে হবে শিক্ষকদের

Reporter Name

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এতদিন শিক্ষকদের সাধারণত চাকরিতে যোগদানের পর বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। তবে এই নিয়ম পরিবর্তন করে এখন থেকে চাকরি পাওয়ার আগেই প্রার্থীদের বাধ্যতামূলক প্রাক্‌-চাকরিকালীন প্রশিক্ষণের আওতায় আনার কথা ভাবা হচ্ছে। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার মান উন্নত করা এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যেই মূলত এই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ‘প্রফেশনালাইজেশন ফর এনহ্যান্সড লার্নিং প্রজেক্ট’ নামে একটি বিশেষ প্রকল্পের প্রাথমিক খসড়া প্রস্তুত করেছে। প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, প্রায় আড়াই শ কোটি টাকার এই পুরো প্রকল্পটি বৈদেশিক অনুদানের অর্থে বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি বছরের শেষের দিক থেকে শুরু করে ২০৩০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এই প্রকল্পের সম্ভাব্য মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে শিক্ষক প্রশিক্ষণ মডেল তৈরি, কর্মশালা আয়োজন এবং সংশ্লিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ করা হবে।

বর্তমানে দেশে দুই লাখের বেশি মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মরত থাকলেও তাদের জন্য পর্যাপ্ত ও কার্যকর কোনো প্রাক্‌-চাকরিকালীন প্রশিক্ষণের সুযোগ নেই। অথচ ফিনল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো উন্নত দেশগুলোতে শিক্ষকতায় প্রবেশের আগেই বিশেষ পেশাগত প্রশিক্ষণ বা লাইসেন্স অর্জনের নিয়ম রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত প্রকল্পের খসড়াটি বর্তমানে অনুমোদন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে পরীক্ষামূলকভাবে নতুন এই প্রশিক্ষণ মডেল চালু করা হবে এবং পরবর্তীতে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে।

সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদেরা। তাদের মতে, এর মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশা কেবল একটি সাধারণ চাকরির গণ্ডি পেরিয়ে একটি প্রকৃত পেশাদার কাঠামোর রূপ লাভ করবে। তবে এই পুরো কার্যক্রমটি একটি সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত নির্দেশিকার আওতায় পরিচালনা করার ওপর তারা বিশেষ জোর দিয়েছেন। একই সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের মানসিক প্রস্তুতি, আগ্রহ ও শিক্ষকসুলভ যোগ্যতা যাচাই করার জন্য এই ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।