October 28, 2026, 12:40 pm
শিরোনাম :
টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা
/ Uncategorized

ভারতের নির্বাচন কমিশন ঘিরে নিরাপত্তা, রাজপথে বিরোধীরা

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছে দেশটির বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলে এই আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছে। বিরোধী শিবিরের এমন কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষাপটে রাজধানী নয়াদিল্লিতে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে গত ৯ অক্টোবর নয়াদিল্লির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। শহরের যন্তর মন্তর এলাকায় পুলিশের পক্ষ থেকে একাধিক ব্যারিকেড বসানো হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের বাইরেও কঠোর পাহারা ও নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী জোটের সংসদ সদস্য ও নেতারা রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে একটি পদযাত্রা করেন। এই কর্মসূচিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অন্যান্য বিরোধী দলের হেভিওয়েট নেতারাও অংশ নেন। শান্তিপূর্ণ এই পদযাত্রা ও বিক্ষোভের মাধ্যমে তারা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং প্রধান কমিশনারের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করেন।

নির্বাচন কমিশন ও সরকারি দপ্তরের আশপাশে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। যন্তর মন্তরের আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ গোয়েন্দা নজরদারিও বৃদ্ধি করা হয়। বিরোধী দলগুলোর এই ধারাবাহিক আন্দোলন এবং নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচির ফলে ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গন বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।