October 28, 2026, 12:55 pm
শিরোনাম :
যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ১০৪

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা রোধ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে অন্তত ১০৪ জন কিশোরকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। উঠতি বয়সী এসব কিশোরের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্র ও শনিবারের বিশেষ এই অভিযানে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের আটক করা হয়। এর মধ্যে হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ৪০ জন এবং বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩১ জনকে আটক করা হয়। এছাড়া চরজব্বর থানায় ১০ জন, কোম্পানীগঞ্জ ও চাটখিল থানায় ৬ জন করে, কবিরহাট থানায় ৪ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৩ জন এবং সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী থানায় ২ জন করে কিশোরকে আটক করা হয়েছে।

অভিযানের পর আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পাশাপাশি তাদের পরিবারের অভিভাবকদের থানায় ডেকে পাঠানো হয়। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার শর্তে মুচলেকা নিয়ে আটক কিশোরদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এসব কিশোরের অপরাধপ্রবণতা কমিয়ে তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে এই ধরনের সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন এই অভিযানের বিষয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কেবল পুলিশি অভিযান দিয়েই কিশোর অপরাধ পুরোপুরি দমন করা সম্ভব নয়, এজন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।