October 28, 2026, 12:01 pm
শিরোনাম :
৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয়

দুর্গাপূজায় সীমান্তে আড়াই হাজার বিজিবি সদস্য, ৬৬৬ মণ্ডপে নিরাপত্তা

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে দেশের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জামালপুর থেকে ফেনী পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ১৩টি ব্যাটালিয়ন মাঠে নেমেছে। সীমান্ত এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এই মিশনে বিজিবির প্রায় আড়াই হাজার সদস্যকে নিয়োজিত করা হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী অঞ্চলের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের আওতাধীন সীমান্তবর্তী বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ৬৬৬টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার ঐতিহ্যবাহী রাধামাধব মন্দিরসহ বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পূজা শুরু হওয়ার আগেই বিজিবির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব মণ্ডপে নিবিড় পরিদর্শন বা রেকি সম্পন্ন করা হয়েছে যাতে সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো আগেই চিহ্নিত করা যায়।

যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে এবং ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে পৌঁছাতে মাঠে মোট আটটি বিশেষ বেস ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু সরাইল ব্যাটালিয়নের অধীনেই তিনটি বেস ক্যাম্প চালু রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় করতে স্থানীয় মন্দির কমিটিকে বিজিবি সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সীমান্ত চৌকির মোবাইল নম্বর সরবরাহ করা হয়েছে, যাতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত যোগাযোগ করা সম্ভব হয়। এছাড়া সামগ্রিক নিরাপত্তা সমন্বয় করতে পুলিশ, আনসার ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং উৎসবের দিনগুলোতে যৌথ টহল পরিচালিত হবে।

বর্তমানে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ সন্তোষজনক রয়েছে এবং কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে নিশ্চিত করেছেন বিজিবির এই শীর্ষ কর্মকর্তা। মাঠে ইতিমধ্যে পর্যাপ্ত টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে এবং পূজা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। মন্দির কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাও আশা প্রকাশ করেছেন যে, প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ও সহযোগিতায় এবার অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। পরিদর্শনের সময় বিজিবির বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় মন্দির কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।