October 28, 2026, 10:14 am
শিরোনাম :
স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

দখলমুক্ত সড়ক থাকলে দ্রুত পৌঁছাত ফায়ার সার্ভিস: ডিএসসিসি প্রশাসক

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারের ছোট কাটারা এলাকায় সম্প্রতি সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের পর সৃষ্ট পরিস্থিতি সরজমিন পরিদর্শন করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। পরিদর্শনের এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান যে, সড়কগুলো অবৈধভাবে দখল হয়ে না থাকলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আরও কম সময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারত।

জরুরি চলাচলের পথ সবসময় উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক জানান যে, রাস্তা ও ফুটপাতে যত্রতত্র দোকানপাট বসানো থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। এ ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি গণমাধ্যমের কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, একটি ব্যাগ তৈরির কারখানা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল এবং এর চারপাশেই তৈরি পোশাকের বেশ কিছু দোকান ও কারখানা অবস্থান করছিল।

পুরান ঢাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের পেছনের কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন যে, সিটি করপোরেশন ইতিমধ্যে এই এলাকায় কেমিক্যালের নতুন লাইসেন্স দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে অতীতে ঘটে যাওয়া কেমিক্যাল-সংশ্লিষ্ট বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সংখ্যা বর্তমানে অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে ফায়ার সার্ভিসের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি কাজ করছে এবং তদন্ত শেষ হলেই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান।

অগ্নিনির্বাপণের সময় পানির ঘাটতি ও এলাকার অবকাঠামোগত সমস্যা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান যে, এই দীর্ঘমেয়াদি সংকট একদিনে তৈরি হয়নি। বর্তমান প্রশাসন উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এসব সমস্যা সমাধানের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে পুরান ঢাকার পুকুর সংরক্ষণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, কেবল প্রশাসনিক নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে নিজেদের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষার স্বার্থে প্রতিটি মার্কেট ও বাসাবাড়িতে নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম রাখা বাধ্যতামূলক করা উচিত। বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হলেও যারা এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।