October 28, 2026, 9:10 am
শিরোনাম :
বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া ১০ জন বিধায়কের সদস্যপদ বাতিলের আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে খারিজ করে দিয়েছেন স্পিকার। শাসকদলের পক্ষ থেকে এই বিধায়কদের বিরুদ্ধে দলত্যাগী হওয়ার অভিযোগ এনে পদ হারানোর দাবি জানানো হয়েছিল। তবে দীর্ঘ শুনানির পর বিধানসভার স্পিকার এই আবেদন নাকচ করে দেন, যা রাজ্য রাজনীতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আইনি লড়াইয়ের এই পর্বে অভিযুক্ত বিধায়কদের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে জোরালো যুক্তি পেশ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের আইনজীবীরা দাবি করেন যে, বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যে পুরনো আইনের ভিত্তিতে এই পদ খারিজের আবেদন করেছিলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা সম্পূর্ণ অকার্যকর। মূলত বিধানসভার বর্তমান নিয়মকানুন এবং আইনি জটিলতার কারণেই ওই আবেদনটি টিকতে পারেনি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিধানসভার অন্দরে এই সিদ্ধান্ত আসার পর রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা এই ঘটনায় শাসকদলের কৌশলগত ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, সংশ্লিষ্ট বিধায়করা এই রায়কে নিজেদের পক্ষে আইনি জয় বলেই মনে করছেন। এর ফলে আপাতত ওই দশ বিধায়কের বিধানসভার সদস্যপদ নিয়ে কোনো আইনি সংকট রইল না এবং তাঁরা তাঁদের নিজ নিজ পদে বহাল থাকছেন।

উল্লেখ্য, এর আগেও দলবদল সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নানা জলঘোলা হয়েছে। বর্তমান রায়ের পর এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আইনি লড়াইয়ের পরিধি আরও বাড়ে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে সব মহলের। বিধানসভার স্পিকারের এই আদেশের ফলে আপাতত স্বস্তিতে রয়েছেন অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিরা।