October 27, 2026, 10:54 pm
শিরোনাম :
ঘরে বসে কোরআনের অর্থ শিখবেন যেভাবে ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে গলাকাটা ফি নির্ধারণ করে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করা চলবে না: মুসাদ্দিক ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র: দুই দেশের নির্বাচনের পরিণতি হবে বিশ্বব্যাপী হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই হবে: সর্বোচ্চ নেতা জীবনানন্দের স্মরণে ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্র ইসরায়েলের নির্বাচনে হারছে নেতানিয়াহুর জোট ইসরায়েলে ভোটের ফলাফলে সম্ভাব্য ৪ পরিস্থিতি কী ভাওয়াইয়া থেকে ইসলামি গান, আব্বাসউদ্দীন আজও অম্লান ওলামা অ্যালায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ইনজিমামুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদ ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য সরকারের: বিদ্যুৎমন্ত্রী

জার্মানিতে পড়ার স্বপ্ন যাঁদের জেনে নিন আবেদন, ভিসা ও খরচের খুঁটিনাটি

Reporter Name

উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য হলো জার্মানি। দেশটির বেশ কয়েকটি শহর শিক্ষার্থীদের বসবাসের উপযোগী সেরা তালিকায় স্থান পেয়েছে যার মধ্যে মিউনিখ, বার্লিন ও স্টুটগার্ট বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এছাড়া অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানে নামমাত্র খরচে বা বিনা টিউশন ফিতে পড়াশোনার সুযোগ থাকায় বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের কাছে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য জার্মানির ভিসা প্রক্রিয়া এবং এর বিভিন্ন ক্যাটাগরি সম্পর্কে কিউএস বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের শিক্ষার্থীরা স্নাতক, স্নাতকোত্তর কিংবা গবেষণার জন্য সাধারণ ছাত্র ভিসায় আবেদন করতে পারেন। এছাড়া ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির সুযোগ খোঁজা কিংবা পড়াশোনা শেষে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আলাদা আবাসন অনুমতির ব্যবস্থা রয়েছে। আবেদন করার সময় স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানের ভর্তির চিঠি, স্বাস্থ্যবিমা এবং ভাষাগত দক্ষতার প্রমাণের পাশাপাশি আর্থিক সচ্ছলতার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হয়।

দেশটিতে পড়াশোনা করতে যাওয়ার আগে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। কিউএস কোয়াকোয়ারেলি সাইমন্ডসের তথ্য অনুযায়ী, বার্ষিক প্রায় ১১ হাজার ৯০৪ পাউন্ডের আর্থিক সংহতির প্রমাণ দেখাতে হয়। পাশাপাশি বাসাভাড়া, খাবার ও যাতায়াতসহ দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানোর জন্য একজন শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অংকের অর্থ খরচ করতে হতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে টিউশন ফি এবং খরচের পরিমাণে কিছুটা তারতম্য হতে পারে।

জার্মানিতে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে সম্পন্ন করতে হয় যা শুরু হয় পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন ও ভর্তির আবেদন দিয়ে। ভর্তির চিঠি পাওয়ার পর ব্লকড অ্যাকাউন্ট বা বৃত্তির মাধ্যমে আর্থিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়। সফলভাবে ভিসা পাওয়ার পর দেশটিতে পৌঁছে আবাসন নিবন্ধন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা এবং স্বাস্থ্যবিমা নিশ্চিত করতে হয়। এছাড়া সেমিস্টার চলাকালীন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ থাকায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের খরচ কিছুটা নিজেই চালাতে পারেন।