October 28, 2026, 12:40 pm
শিরোনাম :
টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়বে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা

চলতি মাসেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

Reporter Name

দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশের জন্য আবারও উন্মুক্ত হতে চলেছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। দেশটির নিয়োগকর্তারা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর কাছে চাহিদাপত্র পাঠাতে শুরু করেছেন। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। গত কয়েক মাস ধরে চলা দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে চলতি মাসের দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর ফলে দেশের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ হাইকমিশনকে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমবাজার চালুর আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড বা বোয়েসেলকে একটি নির্দিষ্ট তারিখ থেকে বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনা সিস্টেমে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। তবে চাহিদাপত্র হাতে পেলেও কর্মী নির্বাচন, স্বাস্থ্য পরীক্ষা কিংবা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা বা গাইডলাইন পায়নি এজেন্সিগুলো। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে কিছুটা উদ্বেগ ও ধোঁয়াশা কাজ করছে। জনশক্তি রপ্তানিকারকদের মতে, সময়মতো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না পেলে প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হতে পারে এবং নিয়োগকর্তারা অন্য দেশের দিকে ঝুঁকতে পারেন।

বর্তমান উদ্যোগের আওতায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ১৬টি চাহিদাপত্রও হাতে পেয়েছে সংস্থাটি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আটকেপড়া কর্মীদের পাঠানোর কাজ শেষ করে নতুন কর্মী প্রেরণের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে বোয়েসেল। তবে বোয়েসেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পূর্বে আটকেপড়া শেষ কয়েকজন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোই তাদের বর্তমান প্রধান লক্ষ্য। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই কেবল নতুন কর্মী পাঠানোর পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিন্তা করা হবে।

এদিকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন করে প্রায় আট হাজার চাহিদাপত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আরও নতুন মেডিকেল সেন্টার যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অতীতে এই শ্রমবাজার চালু এবং বন্ধ হওয়ার পেছনে বিভিন্ন অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠলেও বর্তমান সরকার বন্ধ শ্রমবাজারগুলো চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে খুব দ্রুতই মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপদ ও শৃঙ্খলিত যাতায়াত শুরু হবে।