October 28, 2026, 1:59 pm
শিরোনাম :
নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজের কারণে মস্তিষ্কের যে ধরনের ক্ষতি হয় ‘আওয়ামী স্টাইলে দেশ চালাতে চাইলে পরিণতিও তাদের মতোই হবে’ দক্ষ জনশক্তি গড়তে কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বললেন রাষ্ট্রপতি ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির আপাতত পরিকল্পনা নেই, জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী যে কারণে ২৫টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের দ্বিতীয় শিফট স্থগিত করল সরকার টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশ মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে: নাহিদ ইসলাম ৫ বছরে এক কোটি মানুষ বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী বিমান চলাচলের নিরাপত্তায় বিনিয়োগ জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে কালো অধ্যায়: জামায়াত আমির

গণভোটের রায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন মানবে না জামায়াত, জোরদার করবে রাজপথের আন্দোলন

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে নেওয়া গণভোটের রায়কে পাশ কাটিয়ে দেশের সংবিধানে কোনো ধরনের পরিবর্তন আনা হলে তা কখনোই মেনে নেবে না জামায়াতে ইসলামী। সম্প্রতি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা এক বৈঠকে এই কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। তাদের মতে, সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে জনগণের যে প্রত্যাশা এবং গণভোটের মাধ্যমে যে রায় প্রকাশ পেয়েছে, তার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটাতেই হবে। অন্যথায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ আরও জানান, সংবিধান নিয়ে যেকোনো একতরফা সিদ্ধান্ত বা জনগণের মতামতের অবমূল্যায়ন দেশের সাধারণ মানুষ ভালোভাবে গ্রহণ করবে না। এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র আইনি ও রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। দলের নীতিনির্ধারক মহলের মতে, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। তাই জনগণের অধিকার রক্ষায় তারা সবসময় সোচ্চার থাকবেন এবং যেকোনো মূলével এই দাবি আদায় করার চেষ্টা চালাবেন।

এই ইস্যুতে সংসদীয় রাজনীতির পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলনকে আরও বেগবান ও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দলটি। নেতারা ঘোষণা দিয়েছেন যে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে। প্রয়োজনে সারা দেশে ব্যাপক গণসংযোগ এবং বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে। সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে রাজপথের আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলেও জানান তারা।

বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের এই কঠোর অবস্থানের ফলে আগামীতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। সংবিধান সংশোধন বা সংস্কারের প্রক্রিয়া নিয়ে সরকার এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার দূরত্ব আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন দেখার বিষয়। তবে দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, জনগণের অধিকারের প্রশ্নে তারা রাজপথ ছাড়বেন না।