October 28, 2026, 8:44 pm
শিরোনাম :
নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানেরও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই চার জুটির চার রকম প্রেম, তিন নতুন মুখের অভিষেক নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ

কুষ্টিয়ায় স্টেডিয়ামে অনুমতি দিল প্রশাসন, জামায়াত জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশ করতে অনড়

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের স্টেডিয়াম মাঠে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হলেও তাতে অনড় থাকতে নারাজ জামায়াতে ইসলামী। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের পরও দলটি তাদের পূর্বঘোষিত স্থান জিলা স্কুল মাঠেই সমাবেশ করার ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ফলে নির্ধারিত এই রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলটির মধ্যে একধরনের জটিলতা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, জনসভার মাত্র পাঁচ দিন বাকি থাকতে জেলা প্রশাসন হঠাৎ করে নতুন করে স্টেডিয়ামের বিষয়টি সামনে এনে পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে। তাদের দাবি, অনেক আগেই জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশের বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। তাই শেষ মুহূর্তে এসে স্থান পরিবর্তনের এই প্রস্তাব তাদের জন্য অনভিপ্রেত ও বিভ্রান্তিকর বলে মনে করছেন দলটির দায়িত্বশীল নেতারা।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জনদুর্ভোগ এড়ানোর কথা চিন্তা করে তুলনামূলক উন্মুক্ত স্থান হিসেবে স্টেডিয়াম মাঠ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শহর এলাকার ভেতরের জনবহুল স্কুল মাঠে বড় ধরনের জনসমাগম হলে সাধারণ মানুষের চলাচল ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কর্তাব্যক্তিরা। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের নির্ধারিত স্থানে কর্মসূচি পালনের চেয়ে তাদের পূর্বনির্ধারিত জিলা স্কুল মাঠেই জনসভা করার প্রস্তুতি ও জনসমর্থন বেশি রয়েছে।

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই মতপার্থক্য নিরসন না হলে কর্মসূচি পালন নিয়ে মাঠপর্যায়ে বড় ধরনের সংঘাত বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। উভয়পক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক কর্মসূচি কোন মাঠে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাখছেন জেলার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।