October 28, 2026, 9:36 am
শিরোনাম :
গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কারো অবৈধ সাম্রাজ্য টিকানোর দায়িত্ব পুলিশের নয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামবাহী লরিবহর

Reporter Name

কঠোর নিরাপত্তা এবং নিশ্ছিদ্র পাহারার মধ্য দিয়ে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়া ইউরেনিয়ামবাহী বিশেষ লরিবহরটি সফলভাবে প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছেছে। নির্ধারিত দিনে দুপুর বারোটা কুড়ি মিনিটে যমুনা সেতু পার হয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই কাফেলাটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে প্রবেশ করে। পুরো যাত্রাপথ জুড়ে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল এবং কড়া নজরদারি বজায় রাখা হয়েছিল।

এর আগে এদিন সকালে বিমানবন্দর এলাকা থেকে অত্যন্ত গোপনীয়তা ও সতর্কতার সঙ্গে লরিবহরটি পাবনার পথে যাত্রা শুরু করে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে রূপপুর পর্যন্ত দীর্ঘ এই মহাসড়কে সাধারণ যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সরাসরি নেতৃত্বে পুলিশ, র‍্যাব এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার চৌকস সদস্যরা এই পুরো পরিবহন প্রক্রিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে নিয়োজিত ছিলেন।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থা রসাটমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য পর্যায়ক্রমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। প্রকল্পটির জন্য মোট নয়টি কার্গোর মাধ্যমে দুইশটিরও বেশি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি বা রড সরবরাহ করার কথা রয়েছে। এর আগে নির্দিষ্ট ধাপগুলো পেরিয়ে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেজস্ক্রীয় পদার্থগুলো বাংলাদেশে এসে পৌঁছায় এবং পর্যায়ক্রমে তা নিরাপদ উপায়ে প্রকল্প সাইটে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে রূপপুর প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত সবকটি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি সরবরাহ করার কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হবে। এই জ্বালানি চালানে আসার মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই মেগা প্রকল্পের চালুর প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রক্রিয়া শেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাওয়ার পথে এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।