October 28, 2026, 9:55 am
শিরোনাম :
এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে এবার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গাজীপুর কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৩৪ মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম

ইনফান্তিনোর ২১ কোটি টাকার গোপন আয়

Reporter Name

খেলা ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর আর্থিক স্বচ্ছতা ও লেনদেন নিয়ে নতুন করে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। নির্ধারিত বেতন এবং ভাতাদি ছাড়াও তিনি বিশেষ একটি উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গোপনে গ্রহণ করেছেন বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। ফুটবল বিশ্ব এবং সংশ্লিষ্ট মহলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বকাপ আয়োজক প্রতিষ্ঠান থেকে এই অতিরিক্ত অর্থ নিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই গোপন আয়ের পরিমাণ প্রায় ২১ কোটি টাকা। মার্কিন কর বিভাগ এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের গোপন নথিপত্র ঘেঁটে এই গরমিলের তথ্যটি সবার সামনে আসে।

প্রাপ্ত নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নির্দিষ্ট ওই বছরে ফিফা এবং বিশ্বকাপ আয়োজক প্রতিষ্ঠান থেকে ইনফান্তিনোর মোট আয় ছিল প্রায় ৮০ কোটি টাকার কাছাকাছি। কিন্তু বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার বার্ষিক আর্থিক বিবরণী বা প্রতিবেদনে এই বিশাল অংকের অতিরিক্ত অর্থের কোনো সুনির্দিষ্ট উল্লেখ রাখা হয়নি। গোপন রাখার এই প্রবণতা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা ফিফার পরিচালনা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সংস্থার নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী শীর্ষ পর্যায়ের সব কর্মকর্তার আয়ের উৎস এবং আর্থিক লেনদেন জনসমক্ষে প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। এই আর্থিক লেনদেনকে নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা, যদিও ফিফা কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। এর আগেও বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন বর্তমান এই শীর্ষ কর্মকর্তা।