October 28, 2026, 10:55 am
শিরোনাম :
রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই: ইসি সচিব ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙায় পাঠ্যবই মুদ্রণে বাঁচল ১৪ কোটি টাকা স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনা জয় গাজা-লেবানন-সিরিয়ায় দখল বজায় রাখা, ইরানকে দুর্বল করা: নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই, তারা যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ: ব্যারিস্টার আরমান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনই ইসির সক্ষমতার পরীক্ষা: ১১ দলীয় ঐক্য ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, নিরাপত্তায় ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড বল প্রয়োগের শক্তিই হলো ‘বলের মাত্রা’

কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি, আলোচনায় সাইবার স্ক্যাম

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পরিচালিত জোরালো অভিযানে কম্বোডিয়া থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দেশের ৫২ হাজারেরও বেশি নাগরিককে আটক ও নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা তিন হাজারের বেশি বলে দেশটির সরকারি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, দেশটিতে ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ চক্রের তৎপরতা রোধে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কম্বোডিয়ার জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট এই সময়সীমার মধ্যে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো দেশজুড়ে তিন হাজারের বেশি অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে মোট ৮৭টি দেশের নাগরিক আটকের পর বহিষ্কারের শিকার হন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই বহিষ্কারের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কম্বোডিয়া সরকারের সাইবার অপরাধ দমনের নীতিকেই জোরালোভাবে নির্দেশ করে। বহিষ্কৃতদের এই তালিকায় সবচেয়ে বড় অংশজুড়ে রয়েছে চীনা ও ইন্দোনেশীয় নাগরিকরা।

প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বহিষ্কৃতদের মধ্যে প্রায় ২৩ হাজার চীনা নাগরিক এবং আট হাজারের বেশি ইন্দোনেশীয় নাগরিক রয়েছেন। এছাড়া চার হাজারের অধিক ভিয়েতনামি এবং তিন হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে এই তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর বাইরে পাকিস্তান, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের নাগরিকেরাও বহিষ্কৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর ঠিক কতজন সরাসরি অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং কতজন মানবপাচারের শিকার হয়ে সেখানে আটকা পড়েছিলেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আলাদা পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে বহিষ্কৃতদের প্রকৃত অবস্থান ও আইনি সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবপাচার রোধে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন। অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন নামক একটি সংস্থা মনে করে, বহিষ্কৃত বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকেই মানবপাচারের শিকার হয়ে জোরপূর্বক এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে থাকতে পারেন। তাই কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই সবাইকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত না করে, ভুক্তভোগী ও অপরাধীদের আলাদা করতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। একইসঙ্গে যারা প্রকৃতপক্ষে পাচারের শিকার হয়েছেন, তাদের যথাযথ সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।