October 28, 2026, 7:54 pm
শিরোনাম :
নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ ওজন কমানোর ওষুধে কমছে কসমেটিক সার্জারির চাহিদা পলাশবাড়ীতে এডিপির পৌনে ৩ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে কমিটি ভোটের আগের রাতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, টাকা বিতরণের দাবি

বন্ধ দুই সরকারি বস্ত্রকলে বিনিয়োগ ৭০০ কোটি টাকা, কী বানাবে বিনিয়োগকারীরা

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন বন্ধ থাকা দুটি সরকারি বস্ত্রকল আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুনরায় চালু করতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন বা বিটিএমসি সূত্রে জানা গেছে, দেশের দুটি শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী এই প্রকল্পগুলোতে প্রায় সাতশ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা পিপিপি মডেলের আওতায় এই কারখানাগুলোকে সচল করা হবে বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ, আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিনিয়োগকারী শিল্পগোষ্ঠী দুটির সঙ্গে সরকারের আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরই কারখানাগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের কাজ শুরু হবে। দীর্ঘদিন ধরে অকেজো পড়ে থাকা এই মিলগুলো পুনরায় চালু হলে দেশের বস্ত্র খাতে নতুন গতি আসবে এবং বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বিটিএমসির তত্ত্বাবধানে কারখানা দুটির বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা চালানো হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই বিনিয়োগকারীরা উৎপাদন শুরুর রূপরেখা বাস্তবায়ন শুরু করবেন। তবে এই কারখানাগুলোতে ঠিক কী ধরনের পোশাক বা সুতা উৎপাদন করা হবে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে এবং খুব শীঘ্রই বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারি বন্ধ মিলগুলো পিপিপি কাঠামোর অধীনে পুনরায় চালু করার এই উদ্যোগকে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে অব্যবহৃত সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজারে বস্ত্র পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রত্যাশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চুক্তি প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত উৎপাদনে যেতে পারবে কারখানাগুলো।