October 28, 2026, 7:46 pm
শিরোনাম :
নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ ওজন কমানোর ওষুধে কমছে কসমেটিক সার্জারির চাহিদা পলাশবাড়ীতে এডিপির পৌনে ৩ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে কমিটি ভোটের আগের রাতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, টাকা বিতরণের দাবি

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন, মব নয়: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার পর কোনো ধরনের বিচারবহির্ভূত আক্রমণ বা মব জাস্টিসের মুখোমুখি হবেন না। বরং তাঁকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন সরকারের একজন শীর্ষস্থানীয় নীতিনির্ধারক। সরকারের পক্ষ থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে এই অবস্থান তুলে ধরে জানান যে, পলাতক বা দেশ ছেড়ে যাওয়া নেতাদের জোরপূর্বক ধরে আনার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং তাঁরা যদি নিজ ইচ্ছায় দেশে ফেরেন, তবে রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে। সরকারের এই দায়িত্বশীল মনোভাব দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে বিগত সরকারের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার বারবারই আইনের শাসনের ওপর জোর দিয়ে আসছে যাতে কোনোভাবেই দেশে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি না হয়। বিচারবহির্ভূত যেকোনো পদক্ষেপ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে, তাই আইনি পথেই অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজও সরকারের এই আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

সব মিলিয়ে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সঠিক বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সরকারের এই বার্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কোনো ধরনের প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাবের পরিবর্তে আইনকে তার নিজের গতিতে চলতে দেওয়ার ঘোষণা দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে সহায়তা করবে। আগামী দিনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং এই আইনি প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়ন হয়, সেদিকেই এখন নজর সকলের।