October 28, 2026, 7:46 pm
শিরোনাম :
নভেম্বরে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ, সমর্থন জানাল ককরোচ পার্টি ১২৬৯ ভবনের মালিককে রাজউকের চূড়ান্ত নোটিশ, নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা দাঁড়িয়ে গেলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী, অথচ বসে থাকলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষেরা আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রেপ্তার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছাড়া গত্যন্তর নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিনস প্যান্ট ও অন্তর্বাসে পাচারের চেষ্টা, শাহজালালে মিলল ২৪ কোটি টাকার সোনা আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ ওজন কমানোর ওষুধে কমছে কসমেটিক সার্জারির চাহিদা পলাশবাড়ীতে এডিপির পৌনে ৩ কোটি টাকার প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে কমিটি ভোটের আগের রাতে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, টাকা বিতরণের দাবি

‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা

Reporter Name

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যসূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন ও নতুন সংযোজন আনার প্রক্রিয়া চলছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম ও দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ লেখা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। নতুন এই পাঠ্যভুক্ত লেখাটি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রচিত ‘স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মৃতি’ শীর্ষক একটি প্রবন্ধ। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন কমিটির আলোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংযুক্ত হতে যাওয়া এই প্রবন্ধটিতে মূলত ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও রোমাঞ্চকর স্মৃতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। তৎকালীন সময়ে রণাঙ্গনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার পাশাপাশি একজন সেক্টর কমান্ডারের চোখে যুদ্ধের দিনগুলোর প্রামাণিক দলিল হিসেবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস এবং সংগ্রামের পেছনের বীরত্বপূর্ণ অবদান তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই রচনাটি পাঠ্যবইয়ে স্থান দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের মতে, এ ধরনের ঐতিহাসিক দলিল পাঠ্যপুস্তকের অন্তর্ভুক্ত হলে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকৃত স্বরূপ সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে পারবে। বইয়ের পাতায় কেবল তত্ত্বীয় আলোচনার বাইরে মাঠপর্যায়ের প্রত্যক্ষ অনুভূতির ছোঁয়া শিক্ষার্থীদের মননে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি, ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায়কে বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উপলব্ধির সুযোগ তৈরি হবে তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে।

শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই নির্ধারিত পাঠ্যবইগুলোর পরিমার্জন ও মুদ্রণের কাজ শেষ করা হবে। এর আগে বিষয়বস্তুর গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের বয়সোপযোগী উপযোগিতা যাচাই করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। নতুন এই প্রবন্ধটি যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য বইয়ের বিষয়বস্তুতে বৈচিত্র্য আসবে এবং শিক্ষার্থীরা মুক্তিযুদ্ধের আরও অজানা অধ্যায়ের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে।